ভেনিজুয়েলায় সামরিক হস্তক্ষেপের শংকা বাড়ছে

আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:৪৮

ভেনিজুয়েলায় সামরিক হস্তক্ষেপের শংকা বাড়ছে। ত্রাণ আটকে দেওয়ায় দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ওপর আন্তর্জাতিক চাপও বৃদ্ধি পাচ্ছে। গতকাল যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোর চার গভর্ণরের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। কলম্বিয়ায় স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট হুয়ান গুয়াইদোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট। তিনি ভেনিজুয়েলায় স্বাধীনতা অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত গুয়াইদোকে সমর্থণ দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। দেশটিতে দুই পক্ষের মধ্যেও সামরিক হস্তক্ষেপের আশংকা সৃষ্টি হয়েছে। খবর বিবিসি ও আল-জাজিরা’র

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, সোমবার প্রেসিডেন্ট মাদুরো সরকারের চার গভর্ণরের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে থাকা তাদের সম্পত্তি জব্দ করা হবে এবং তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। গুয়াইদোকে সমর্থন দিতে গভর্ণরদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল কলম্বিয়ায় গুয়াইদোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মাইক পেন্স। বৈঠকের আগে তিনি গুয়াইদোকে বলেন, আমরা আপনার পাশে শতভাগ আছি। প্রেসিডেন্ট গুয়াইদো- আপনাকে আশ্বস্ত করতে চাই, ভেনিজুয়েলায় স্বাধীনতা অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র আপনার পাশে থাকবে।

লিমা গ্রুপভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন মাইক পেন্স। বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। তবে কূটনৈতিকদের একটি সূত্র জানিয়েছে, এসব দেশের প্রতিনিধিরা মাদুরোকে হটাতে শক্তি প্রয়োগে রাজি না হতে পারেন। তারা সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান চান। তবে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট মিত্র দেশগুলোকে ভেনিজুয়েলার মুক্তির জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দিয়েছেন। এর আগে গুয়াইদো মাদুরোকে উত্খাতে আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়কে সব ধরনের বিকল্প প্রস্তুত রাখার আহবান জানিয়েছিলেন।      

কারাকাসে মাদুরো এবং গুয়াইদো উভয় পক্ষের মধ্যেই সামরিক হস্তক্ষেপের আশংকা বেড়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রেই যুদ্ধবিরোধী সমাবেশ হচ্ছে। ব্রাজিল এবং কলম্বিয়া সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মাদুরো। কলম্বিয়ার সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্কও ছিন্ন করেছেন। ব্রাজিল ও কলম্বিয়া সীমান্ত দিয়ে আন্তর্জাতিক ত্রাণের গাড়ি প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। গুয়াইদোর সমর্থকদের বিক্ষোভে মাদুরোর সেনাবাহিনীর গুলি চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে যাতে শনিবারই ৫ জনের মৃত্যু হয়।