রাজশাহী কলেজে ৪ দিনের শোক

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০১৪, ০০:০৯

দুর্ঘটনায় তিন ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় সোমবার থেকে রাজশাহী কলেজে চারদিনের শোক পালিত হচ্ছে। শোকের মধ্যেই কলেজের শিক্ষার্থীরা হতাহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ এবং যাতায়াতের জন্য নিজস্ব বাসের দাবিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে। অন্যদিকে দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী হতাহতের ঘটনায় রবিবার রাতেই দুই বাসের চালক ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা  এবং কলেজ কর্তৃপক্ষ ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এদিকে রাতেই তানিয়া হক মাহমুদা ও শারমিন আকতার এবং বিউটি খাতুনকে সোমবার দুপুরে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিত্সাধীন ৮ ছাত্রী আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।  

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ১০টায় শিক্ষার্থীরা কালোব্যাজ ধারণ করে কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ করে। এ সময় তারা কলেজের নিজস্ব নতুন বাস এবং নিহত ও আহত ছাত্রীদের ক্ষতিপূরণের দাবিতে শ্লোগান দেয়। তারা কলেজ ক্যাম্পাসের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের ভেতরে প্রবেশে বাধা দেয়। সেখানে আগে থেকেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। বাধা পেয়ে শিক্ষার্থীরা কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। দুপুর ১২টায় শিক্ষার্থীরা মনিচত্বর হয়ে সাহেব বাজারে আসতে চাইলে পুলিশী বাঁধায় পড়ে বাস ভাংচুরের চেষ্টা করে। এনিয়ে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও হালকা সংঘর্ষ হয়।

জানা গেছে, রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীদের পরিবহনে ৮টি বাস রয়েছে। এর একটি বাস কলেজের নিজস্ব। বাকি ৭টিই ভাড়া করা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ভাড়া বাসের সবই লক্কর-ঝক্কর ও ফিটনেসবিহীন। ১১ ডিসেম্বর বাদ জোহর কলেজ মসজিদে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত পরীক্ষা সময়মত অনুষ্ঠিত হবে।