সিলেট অঞ্চলে আউশ ও ভুট্টার আবাদ বৃদ্ধি বিষয়ক কর্মশালা

আপডেট : ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ২০:১৪

সিলেট জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষ সিলেটে “সিলেট অঞ্চলে শস্যের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের” আওতায় সিলেট অঞ্চলে আউশ ও ভুট্টা আবাদ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা, সমস্যা এবং সমস্যা উত্তোরণে করণীয় শীর্ষক আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) সনত্ কুমার সাহা।

প্রকল্প পরিচালক মো. ওয়াহিদুজ্জামানের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। তিনি বিগত তিন বছরে প্রকল্পের বাস্তবায়িত কার্যক্রমের প্রভাব এবং ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের কর্ম পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।  উন্মুক্ত আলোচনায় ও কারিগরি সেশনে ভবিষ্যতে করণীয় বিষয়ক তথ্যাদি উপস্থাপন করেন সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা যথাক্রমে ড. মোঃ আব্দুল মুন্নাফ,  মৌলভীবাজার জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কাজী লুত্ফুল বারী, হবিগঞ্জের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) মো. জালাল উদ্দিন, সিলেটের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) বিমল চন্দ্র সোম। অতিরিক্ত পরিচালক, সিলেট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো. আলতাবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, এটিআই, বারি, ব্রি, এসআরডিআই, এসসিএ, হর্টিকালচার সেন্টার এবং কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি বলেন, সিলেট একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চল। এখানে শস্যেও নিবিড়তা বৃদ্ধি করে খাদ্য উত্পাদনকে বহুগুণ বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে দেখা গেছে বোরো ফসল উত্পাদনের চেয়ে আউশ ও ভুট্টা চাষ অধিক লাভজনক। তাই বন্যা প্রবণ সিলেটের কৃষকদের এ বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে।

ছাতক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. বদরুল হক বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে তার উপজেলায় মাল্টা, লিচু ও আউশের আবাদ বেড়েছে।  গোয়াইঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আনিছুজ্জামান বলেন, আকস্মিক বন্যা মোকাবেলায় ব্রিধান ৫১ ও ব্রিধান ৫২ জাত চাষ করিয়ে সুফল পেয়ছেন।