ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবসায়ী সাইফুল কবীর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতারকৃত আবদুল ওয়াদুদ ব্যাপারী (৩৫) ও মো. কামালকে (৩৫) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।
খিলক্ষেত থানা পুলিশ জানিয়েছে, ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবসায়ী সাইফুল কবীর সাত দিন আগে নিখোঁজ হন। তার নিখোঁজের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বুধবার সকালে খিলক্ষেত থানা পুলিশ আবদুল ওয়াদুদ ব্যাপারী (৩৫), মো. কামালকে (৩৫) গ্রেফতার করে। এরপর তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী বুধবার রাতে খিলক্ষেত থানার পুলিশ রাজধানীর পিংকসিটি আবাসিক প্রকল্পের মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় ব্যবসায়ী সাইফুল কবীরের লাশ উদ্ধার করে। পরে পুলিশ বাদী হয়ে খিলক্ষেত থানায় হত্যা মামলা করে। ওই মামলায় তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।
খিলক্ষেত থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আবদুল ওয়াদুদ ব্যাপারীকে প্রথমে আটক করা হয়। তিনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন— তারা এই খুনের সঙ্গে জড়িত। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মো. কামাল নামের আরেক জনকে আটক করে পুলিশ। পরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা ব্যবসায়ী সাইফুলকে খুনের কথা স্বীকার করেন। আটকদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার রাতে পিংক সিটি এলাকা থেকে আটকদের উপস্থিতিতে সাইফুলের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
এ দিকে, এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নিহত সাইফুল ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবসায়ী। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জনের কাছ থেকে বিদেশে মানুষ পাঠানোর নামে টাকা নিতেন আর প্রতারণা করতেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যে দুজনকে আটক করা হয়েছে, তাদের কাছ থেকেও সাইফুল কবির টাকা নিয়েছিলেন এবং এর জের ধরেই তিনি খুন হয়েছেন।
