যখন ছাত্র ছিলাম

আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৯:২৫

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের পড়ালেখার চাপ, অ্যাসাইনমেন্ট, পরীক্ষা এবং শিক্ষকদের বকুনির কারণে অনেকেই হয়ত মনে করি যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব ছাত্রজীবন শেষ হোক। সেই সময়টাতে জীবনের সবচে কঠিন বিষয় হয়ে দাঁড়ায় পড়ালেখা করার বিষয়টি। মনে হতে থাকে কতো দ্রুত ছাত্রজীবনের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কিন্তু জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় এ ছাত্রজীবন। কারণ এর পরবর্তী জীবনে পা দেওয়ার সাথে সাথে পাল্টে যায় পুরো পৃথিবী। জীবন থেকে হারিয়ে যায় নানা রঙ। এমন কোনো মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না যিনি ফেলে আসা ছাত্রজীবনে ফেরত যেতে চান না। যারা কর্মজীবনে রয়েছেন তারা সকলেই ফিরে পেতে চান তার হারিয়ে যাওয়া সে দিনগুলো।

আব্দুল্লাহ আল হেলাল পড়াশুনা করেছেন তেজগাঁও কলেজ থেকে, এমবিএ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। বর্তমানে কর্মরত আছে তাইওয়ান বেজ একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি ইয়ং অপটিকস বিডিতে সিনিয়র অ্যাডমিনিস্টেটর এইচআর হিসেবে। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জীবনে অত্যন্ত সুখের সময় কিন্তু চাকরি জীবন তার সম্পূর্ণ উলটো; অনেকটা মুদ্রার এপিট ওপিট। যানজটে ঠেলে অফিসে যাওয়া আসাতেই বিরক্তি আসে। দিন শেষে আসে ক্লান্তিও।

কামরুজ্জামান দিপু পড়াশুনা শেষ করেছেন ২০১০ সালে। এর পর থেকে চাকরি করেছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। ক্যাম্পাস জীবনের সাথে কর্ম জীবনের অভিজ্ঞতার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছাত্র জীবন সে তো মহাসুখের সময়। সহপাঠীদের সাথে আড্ডা-ঘুরে বেড়ানো। সব স্মৃতিই যেন এখনও ভোলা যায় না।

আজমল, শিক্ষা জীবন বনাম কর্ম জীবন এ প্রসঙ্গ নিয়ে বলতে গিয়ে ফেরদৌসী বেগম (শিল্পী) এর কবিতার কয়েকটা লাইন বলেন— কাজ, কাজ, আর কাজ, জীবনের উচ্চশিখরে উঠার আকাঙ্খা নিয়ে, পাহাড়সম যুদ্ধ করে চলে জীবনের কর্মক্ষেত্রে, আপ্রাণ চেষ্টা করে আপন শখ পূরণের বাসনা।

মাহবুবা রিমা পড়াশুনা করেছেন আইইউবি থেকে। পড়াশুনার পাশাপাশি কাজ        করতেন বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে, তার পছন্দের বিষয়ে পড়াশুনা করেছেন, গ্রাজুয়েশন শেষ করে যোগদেন চাকরিতে। চাকরিটা মুক্ত জীবন থেকে ছকে বাঁধা জীবন মনে হয় তার কাছে।