চেক জালিয়াতি: ব্যাংক কর্মকতাসহ গ্রেফতার ৭

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৪, ১৯:৩৫
 
চেক জালিয়াতি করে বিভিন্ন ব্যাংক ও গ্রাহকের প্রায় অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক ব্যাংক কর্মকর্তা ও এক নারীসহ সাতজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।
বুধবার ভোরে র‌্যাব-১ এর সদস্যরা রাজধানীর উত্তরা, বারিধারা এবং বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন-চেক জালিয়াতি চক্রের হোতা জাকির হোসেন, ডাচ বাংলা ব্যাংকের কর্মকর্তা ওয়াহেদুজ্জামান সোহেল, সোনিয়া আক্তার ওরফে লিপি ওরফে মীম ওরফে শাহিনুর, আল-আমিন ওরফে সুমন, রিজভী খায়ের, আবুল কালাম শেখ এবং আবুল কাশেম প্রমানিক স্বপন।
বুধবার বিকেলে রাজধানীর কুর্মিটোলায় র‌্যাব সদরদফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেন, গ্রেফতারকৃতরা চেক জালিয়াতির মাধ্যমে সংঘবদ্ধভাবে বেশকিছু ব্যাংক ও গ্রাহকের প্রায় অর্ধকোটি টাকা আত্মসাত করেছে। চক্রটি মূলত বিভিন্ন ব্যাংকের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগশাজসে একটি নির্দিষ্ট একাউন্টকে টার্গেট করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য নিত। তাদের মূল টার্গেটে ছিল প্রবাসী এবং যে সকল প্রতিষ্ঠানের লেনদেন বেশি। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে তিনটি বিভিন্ন ব্যাংকের চেকবই, ২০০টি চেকের মূল পাতা, ১০২টি ব্যাংক চেকের ফটোকপি, ২৮৬টি স্টেটমেন্ট পাতা, ১১৪টি হিসাব খোলার ফরম, ১০টি বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ ও ব্যাংক প্রতিষ্ঠানের সীল এবং চেক জালিয়াতির আনুসাঙ্গিক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান মুফতি মাহমুদ খান। 
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছেন, এই প্রতারক চক্রের মূলহোতা জাকির হোসেন। জাকির চলতি মাসে ‘হোসেন ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের অফিসের জন্য ডিওএইচএস, বাড়িধারায় ৪০৭/৯ নম্বর বাসা ভাড়া নেন। সেখানে সোনিয়া তার অফিস সহকারী এবং হারুনকে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করছিলেন। এরা মূলত যে কারো স্বাক্ষর স্ক্যানিং করে জাল চেক তৈরির কাজে পারদর্শী।