২০১২ সালের জানুয়ারির শেষদিক। লঞ্চঘাটের রাস্তা দিয়ে হাঁটছিল নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাগত শাহেদ সবুজ। হয়তো জীবনানন্দের বরিশালের রূপ আস্বাদন কিংবা নতুন শহরকে আরও নিবিড়ভাবে বোঝার প্রচেষ্টা। হঠাত্ই তার ভাবনার আলোড়ন বন্ধ করে দিয়েছিল একটি কণ্ঠ, একটা রোদে পোড়া মুখ, একটা তেলহীন লালচে চুল, একটা অস্ফুট আবেদন- ‘ভাই দশটা টেহা দেন, ভাত খামু।’ এটাই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সামাজিক সংগঠন একাত্তরের চেতনার জন্ম পূর্ব ইতিহাস। এটি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠন হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও ক্রমান্বয়ে জাতীয় সংগঠনে পরিণত হচ্ছে। বর্তমানে সংগঠনের ছয়টি কলেজ শাখা ও একটি জেলা শাখা রয়েছে। পরিচালনার জন্য রয়েছে সুগঠিত একটি কেন্দ্রীয় কমিটি। সাত বছরে একাত্তরের চেতনা মানুষের কল্যাণে তার কার্যপরিধির প্রসার ঘটিয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সময় ও মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে এই সংগঠনে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে জাতীয়-আন্তর্জাতিক কিংবা আঞ্চলিক এমন কোনো মানবিক ইস্যু নেই যা নিয়ে সংগঠনটি কাজ করেনি।
