নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়সহ সরকারি নয়টি অফিসে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। চারটি অফিসের নৈশ প্রহরী এবং ১০ গজের ভিতরে থানা থাকায় এ ডাকাতির ঘটনা জন-নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসনের সর্বত্র উদ্বিগ্ন পরিবেশ বিরাজ করছে।
সরেজমিনে জানা গেছে, শনিবার দিবাগত গভীর রাতে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার কার্যালয়, পিআই.ও অফিস, উচ্চমান সহরকারী কার্যালয়, সমাজসেবা অফিস, সমবায় অফিস, মৎস্য অফিস, হিসাবরক্ষণ অফিস, ইঞ্জিনিয়ারিং অফিস, খাদ্য অফিস ও পরিসংখ্যান অফিসের দরজার তালা ও জানালা ভেঙ্গে ডাকাতদল ভিতরে ঢুকে অফিসগুলোর স্টিলের আলমারি, অফিসারদের ব্যক্তিগত ড্রয়ার ও সিন্দুক ভেঙ্গে মূল্যবান জিনিস পত্র ও কাগজপত্র তছনছ করে ফেলে যায়।
সকাল ১০টায় বিভিন্ন অফিসের দায়িত্বরত অফিসারগণ কর্মে যোগদান করতে এলে এ দৃশ্য দেখে হতভম্ব হয়ে যান। একপর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনায় নির্বাহী অফিস, সমাজ সেবা অফিস, মাধ্যমিক অফিস ও কৃষি অফিসের চার নৈশ প্রহরীকে শৌকজ নোটিশ দেয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জালাল সাইফুর রহমান বলেন, ‘আলমতে দেখা যায় টাকার চুরির জন্য এ ঘটনা ঘটেছে। কোন অফিসের কাগজপত্র লুট হয়নি। তবে নয়টি অফিসের দরজার তালা ও জানালার গ্রিল ভাঙ্গায় ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। নৈশ প্রহরীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজেদুর রহমান সাজিদ জানান, অফিসগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত বিভিন্ন বিভাগ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছিল।
