যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকে। সেখানে প্রতিবন্ধীরা আরো বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতায় শিকার হয়। এ থেকে উত্তোরণে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা বাড়ানোর প্রতি জোর দিয়েছেন বক্তারা। তারা বলেছেন, বিভিন্ন দুযোগপ্রবণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে সেখানকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারলে এ ধরনের সমস্যার মোকাবিলা করা সহজ হবে।
শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘প্রতিবন্ধী বান্ধব দূযোগ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সাইটসেভারস ও ইউকে এইড-এর সহায়তায় ডিজএ্যাবল্ড রিহ্যাবিলিটেশন এন্ড রিসার্চ এসোসিয়েশন (ডিআরআরএ) এই কর্মশালার আয়োজন করে।
সাইট সেভারর্স-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার রিফাত সাহপার খান-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিডিএমপি এর প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিআরআরএ এর নির্বাহী পরিচালক ফরিদা ইয়াসমিন। অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন সাতক্ষীরা জেলার শ্যমনগর উপজেলা থেকে আগত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা।
প্রধান অতিথি মোহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ বলেন, দুযোর্গ প্রবণ এলাকায় প্রতিবন্ধীদের সমস্যা চিন্তি করে তা সমাধানের ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে বলেন, সমাজের সব ধরনের কাজে আপনাদের অংশগ্রহণ করতে হবে তাহলে কেউ আর বলতে পারবে না যে ‘প্রতিবন্ধীরা পারে না’। তিনি প্রতিবন্ধীদের জীবন মান উন্নয়নে প্রশিক্ষণসহ সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ার কথা বলেন।
মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম বলেন, দেশের ১০ শতাংশ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি। এই সংখ্যা খুম একটা কম নয়। তিনি বলেন, দূযোগ সবার জীবনে এক ভাবে আসে না। যে কোন দুর্যোগে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীরা বেশি প্রতিবন্ধকতায় শিকার হন। তাই তাদের জন্যে বিশেষ ব্যবস্থা রাখতে হবে। যেমন সাইক্লোনের খবর মাইকিং করা কলে তা শ্রবণ প্রবিতন্ধী শুনতে পারেন না। যার কারণে তার প্রস্ততিটাও দেরিতে হয়।
