পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল বলেন, হরতালে যদি দেশের কোন লাভ ও উন্নয়ন না হয়, তাহলে এ হরতাল কিসের জন্য। যারা কথায় কথায় হরতাল করে, তারা বেশি দিন এগোতে পারবে না। আমরা উন্নয়নের রাজনীতি করি, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে। ২০১৬ সালের মধ্যে সেতুর কাজ সম্পন্ন করা হবে। মতলবের ২০ হাজার প্রান্তিক নদীভাঙ্গতি পরিবারকে সাবলম্বী করার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।
রবিবার দুপুরে মতলব সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে তিনি এসব কথা বলেন। চাঁদপুরের মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার ধনাগোদা নদীর উপর ‘মতলব সেতু’র ভিত্তি প্রস্তর করা হয়।
পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল এমপি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম এমপি ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম এমপি বলেন, নির্বাচন হবে ২০১৯ সালের ৫ জানুয়ারি। এর আগে হরতাল-অরাজকতা করে লাভ নেই। সেই দিন পর্যন্ত বিএনপিকে অপেক্ষা করতে হবে। দু’বছরের মধ্যে সেতুর কাজ হবে। সেতুর সাথে গ্যাসের কাজও চলবে। ফেব্রুয়ারির মধ্যে কালীপুর-গজারিয়া ফেরি সার্ভিস চালু হবে। তখন মতলবের মানুষ ঢাকায় অফিস করে বাড়ি এসে ঘুমাবে। ষাটনল-ফরাজীকান্দি মেঘনা নদী শাসন করার নামে পর্যটন করা হবে।
এ সময় বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. শামসুল হক ভূঁইয়া এমপি, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম মোহন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটোয়ারী দুলাল, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য সুজিত রায় নন্দী, মহিলা সংসদ সদস্য অ্যাড. নুরজাহান বেগম মুক্তা, অ্যাড. হোসনে আরা বেগম বাবলী, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. রুহুল আমিন, দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এএইচএম গিয়াসউদ্দিন, মতলব উত্তর উপজেলা চেয়ারম্যান মনজুর আহমদ, মতলব দক্ষিণ উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক সিরাজুল মোস্তফা তালুকদার, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ কুদ্দুস, মতলব দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএইচ কবির আহমদ।
