ঢাকার আকাশে সকাল থেকেই ছিল বৃষ্টি। প্রকৃতির কান্নায় বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ টি-২০ টুর্নামেন্টের ম্যাচ। গতকাল ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল দুটি ম্যাচ। পূর্ণ ২০ ওভার খেলা হয়নি কোনো ম্যাচেই। দিনের প্রথম ম্যাচে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ও বিকেএসপির লড়াইটা টি-২০ থেকে নেমে এসেছিল ১০ ওভারে। টি-১০ ম্যাচে গাজী ক্রিকেটার্স ২৭ রানে পরাজিত করেছে বিকেএসপিকে।
একই ভেন্যুতে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচটি হয়েছিল ১৭ ওভারের। ওই ম্যাচে খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতিকে ছয় উইকেটে হারিয়েছে উত্তরা স্পোর্টিং ক্লাব।
‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে সকালে টসে হেরে আগে ব্যাট করে চার উইকেটে ১২৩ রান তুলেছিল গাজী ক্রিকেটার্স। বিপিএলে দুর্দান্ত পারফর্ম করা রনি তালুকদার এদিনও ব্যাটিংয়ে ঝড় তুলেছিলেন। ওপেনিংয়ে নেমে ১৬ বলে ৪১ রান (২ চার, ৪ ছয়) করেন রনি। ওয়ালিউল করিম ২৫, সাজ্জাদুল হক ২০, মাইশুকুর রহমান অপরাজিত ১৯, তৌহিদ তারেক অপরাজিত ১১ রান করেন। বিকেএসপির নওশাদ ইকবাল তিনটি, হাসান মুরাদ একটি উইকেট নেন।
রান তাড়া করতে নেমে ৬ রানে তিন উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বিকেএসপি। তারপরও আকবর আলীর ৪৩, আমিনুল ইসলামের অপরাজিত ৩৪ রানে চার উইকেটে ৯৬ রান তুলেছিল বিকেএসপি। গাজী ক্রিকেটার্সের আবু হায়দার রনি ২ রানে দুটি, মেহেদী হাসান-কামরুল ইসলাম রাব্বি একটি করে উইকেট পান। রনি তালুকদার ম্যাচ সেরা হন।
ফতুল্লায় দিনের দ্বিতীয় ম্যাচটা ছিল ‘বি’ গ্রুপের। লো স্কোরিং ম্যাচটা অবশ্য সেভাবে জমে উঠেনি। আগে ব্যাট করে সাত উইকেটে ১০৯ রান তুলেছিল খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি। দলের মাত্র তিন ব্যাটসম্যান দুঅঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পেরেছিলেন। রাফসান আল মাহমুদ ২৮, মইনুল ইসলাম ২০, রবিউল হক অপরাজিত ১৭ রান করেন। উত্তরা স্পোর্টিংয়ের আব্দুর রশিদ-সাজ্জাদ হোসেন দুটি করে, নাহিদ হাসান, মোহিমিনুল, নাঈমুল একটি করে উইকেট পান।
পরে তানজিদ হাসানের হাফ সেঞ্চুরিতে ১৫.৫ ওভারে চার উইকেটে ১১০ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় উত্তরা স্পোর্টিং। যদিও ইনিংসের শুরুতে ২৩ রানে তিন উইকেট হারিয়ে বসেছিল ক্লাবটি। বাংলাদেশ যুব দলের ওপেনার তানজিদ হাসান ৫৭ বলে অপরাজিত ৭২ রান (৫ চার, ৩ ছয়) করেন। মিনহাজ খান ২৮ রান করেন। খেলাঘরের পক্ষে রবিউল হক তিনটি, ইরফান হাসান একটি করে উইকেট পান।
