শুধু উচ্ছেদেই সমাধান নয়, প্রয়োজন নজরদারি

আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২২:২৩

সম্প্রতি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী থেকে গাজীপুর জেলার শেষ সীমানা জৈনাবাজার পর্যন্ত প্রায় ৪৬ কিলোমিটার সড়ক ও জনপথের জমিতে থাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। এতে ফুটপাত দখলমুক্ত হচ্ছে। সাধারণ মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন হয়েছে অনেকটা। এটা খুব আনন্দের খবর বটে। তবে অতীত অভিজ্ঞতা থেকে আনন্দিত হতে পারছি না। এর যৌক্তিক কারণ রয়েছে। দুই বছর আগে গাজীপুর সওজ কর্তৃপক্ষ মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় এমন একটি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। তখন একদিক থেকে উচ্ছেদ হয়েছে আবার অন্যদিক থেকে সওজের জমি দখল করে দোকান-ঘর নির্মিত হয়েছে। মহাসড়কে বসেছে কাঁচা বাজার। আবার সাধারণ মানুষের চিরচেনা সেই দুর্ভোগের শুরু। এজন্য আনন্দিত হতে পারেনি। উচ্ছেদ অভিযানের পর মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার সময় কারা বাধা দেবে? বিষয়টি পরিষ্কারভাবে সাধারণ মানুষ জানে না। যদি সওজের পাশাপাশি হাইওয়ে থানা পুলিশের দায়িত্ব থাকে তাহলে তাঁরা অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের সময় বাধা দিচ্ছেন না কেন? সওজ যেমন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে থাকে। ঠিক একইরকমভাবে সপ্তাহে কয়েক দিন যদি মহাসড়কের দু’পাশে গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয় অথবা গড়ে তোলার সময় বাধা দিয়ে প্রচলিত আইনে তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতে পারে। তখন সওজের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের সাহস করবে না অসাধু লোকজন। সুতরাং শুধু উচ্ছেদ অভিযান নয়—যথাযথ নজরদারিও প্রয়োজন।

আরিফুল ইসলাম খান

যুগ্ম-আহ্বায়ক,

গাজীপুর ভাওয়াল নাগরিক কমিটি