বাংলাদেশ দল বিশ্বকাপ অভিযানে অস্ট্রেলিয়ায় রওনা দেবে ২৪ জানুয়ারি। কিন্তু ঘটনাচক্রে দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ও বন্ধু সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল এখন অস্ট্রেলিয়াতেই। দু জনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অবশ্য ভিন্ন। সাকিব গেছেন মেলবোর্ন রেনেগেডজের হয়ে খেলতে। আর তামিম ওই মেলবোর্ন শহরেই হাটুর অস্ত্রপচার শেষে পুনর্বাসন শুরু করেছেন।
আজ বুধবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সূত্র নিশ্চিত করলো, তামিমের পুনর্বাসন প্রত্যাশা অনুযায়ীই খুব ভালো গতিতে হচ্ছে। এইভাবে তার সেরে ওঠা চলতে থাকলে আগামী সপ্তাহেই কিছু হালকা ক্রিকেটীয় অনুশীলন শুরু করতে পারেন তামিম। আর তেমন ক্ষেত্রে ১৪-১৫ জানুয়ারি দেশেও ফিরে আসতে পারেন এই বাহাতি ওপেনার।
এর আগে হাটুর অস্ত্রপচার করানো হবে কি না, সেটা জানতে গত ২৬ ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়ে যান তামিম ইকবাল। ২৯ তারিখ সকালে হাটু অস্ত্রপচার বিশেষজ্ঞ ডেভিড ইয়াং তামিমকে দেখে সিদ্ধান্ত নেন, তার অস্ত্রপচার লাগবে। সেই মোতাবেক সেদিনই মেলবোর্নের অ্যাভিনিউ ইন হাসপাতালে তামিমের হাটুর অস্ত্রপচার সারেন বিশ^খ্যাত এই সার্জন। অস্ত্রপচারের পর ডক্টর ইয়াং বিসিবিকে জানান ২ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে ব্যাটিং অনুশীলন শুরু করতে পারবেন তামিম।
গতকাল বিসিবির প্রধাণ চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন, তার সঙ্গে গতকালই তামিম ও তার অস্ট্রেলিয়ান ফিজিওর সঙ্গে কথা হয়েছে। আর সে কথাবার্তা ইতিবাচক, ‘আমি ওদের দু জনের সঙ্গেই কথা বলেছি। ফিজিও বলেছেন, তামিমের সেরে ওঠার গতি খুবই ভালো। এভাবে চলতে থাকলে আগামী সপ্তাহে ওকে কিছু বিষয়ভিত্তিক অনুশীলন করতে দেওয়া হবে। আর তখনই বোঝা যাবে, ও কোনো ব্যাথা অনুভব করছে কি না।’
এদিকে দেবাশীষ নিশ্চিত করেছেন, ভালোভাবে সেরে উঠছেন সম্প্রতিই দ্বিতীয় দফা কাধের ইনজুরিতে পড়া মুশফিকুর রহিমও। তিনি ১১ জানুয়ারি পুনর্বাসন শুরু করবেন।
