বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র আয়োজিত দুই দিনব্যাপী পুরস্কার বিতরণী উৎসব-২০১৫ শেষ হয়েছে। শনিবার বিকালে উৎসবের তৃতীয় পর্বে ঢাকা মহানগরীর ২৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট দুই হাজার পাঁচ (২০০৫) জন শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের এই পর্বে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, বিশিষ্ট স্থপতি মুক্তিযোদ্ধা মোবাশ্বের হোসেন, লেখক-নাট্যকার ও দৈনিক প্রথম আলোর উপ-সম্পাদক আনিসুল হক, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী শাহিন আনাম, বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব খায়রুল আলম সবুজ, এবং বিশ্বনন্দিত যাদু শিল্পী জুয়েল আইচ।
উৎসবের সমাপনী পর্বে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, বই মানুষের মনের আনন্দ ও চিত্ত বিকাশের অন্যতম মাধ্যম। বই অন্ধকার এবং আলোর মধ্যে পার্থক্য করতে শেখায়। তাই মনের অন্ধকার দূর করতে আমাদের আরো বেশি বেশি বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরাই জাতির ভবিষ্যৎ। বই পড়ার মাধ্যমে নিজেদের আলোকিত করে তোমরাই পারো আগামী দিনের সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।
IMG0
শিক্ষা সচিব মো. নজরুল ইসলাম খান বলেন, নতুন প্রজন্মকে সময়ের সদ্ব্যবহার শিখতে হবে। উৎসবে আগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা যদি সময়ের সদ্ব্যবহার করতে পারো তবেই স্বপ্নের আলোকিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।
দুই দিনব্যাপী পুরস্কার বিতরণী উৎসবে তিনটি পর্বে ঢাকা মহানগরীর ৯৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ৬ হাজার ৯২ জন শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কারের বইসহ উৎসব আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করেছে গ্রামীণফোন। উল্লেখ্য, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র আয়োজিত বইপড়া কর্মসূচিতে ২০১৪ সালে ঢাকা মহানগরীর প্রায় ত্রিশ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল।
সন্ধ্যায় কয়েক হাজার মোমবাতি জ্বালিয়ে ও রবি ঠাকুরের “আগুণের পরশ মনি ছোঁয়াও প্রাণে. . . ” গানটি গেয়ে উৎসবের সমপ্তি ঘোষণা করা হয়।
