ফিলিস্তিনে যুদ্ধাপরাধের তদন্ত করবে আইসিসি

আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০১৫, ১৭:২৭
 
 
 
 
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ফিলিস্তিনে যুদ্ধাপরাধের প্রাথমিক তদন্ত করবে। এর মাধ্যমে ইসরায়েলের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হতে পারে। আইসিসির এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আভিগডর লিবারম্যান। খবর আল-জাজিরার।
প্রাথমিক তদন্তের ফলাফল দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে কি না। স্থানীয় সময় শুক্রবার এ ব্যাপারে আইসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়—প্রাথমিক তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এরপর সিদ্ধান্ত নেয়া হয় অধিকতর তদন্ত করা হবে কি না।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আইসিসির প্রাথমিক তদন্তের মূল লক্ষ্য হলো—ইসরায়েলকে নিজেকে রক্ষা করা থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করা।’
ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা আম্মার হিজাজি বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি—আইসিসিতে করা অভিযোগে আমরা প্রয়োজনীয় সকল তথ্য-উপাত্ত সংযোজন করেছি। আমরা চাই—ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ যদি কোনো যুদ্ধাপরাধ করে থাকে, সে ব্যাপারেও তদন্ত হোক।’
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জেফ রাথকস বলেছেন, ‘আমরা জোরালোভাবে আইসিসির এ কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করছি।’
জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন সম্প্রতি নিশ্চিত করেছেন—গত ১ এপ্রিল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে আইসিসির সদস্য বিবেচনা করা হবে। ফলে গত জুলাই ও আগস্টে ফিলিস্তিনে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের ব্যাপারে তদন্ত করতে পারবে আইসিসি।’
যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার বিচার করে থাকে আইসিসি। ফিলিস্তিন আইসিসির সদস্য হওয়ায় সেখানে সংঘটিত এ ধরনের সকল অপরাধের তদন্ত করতে পারবে আইসিসি। ইসরায়েল এর সদস্য না হলেও সে দেশের নাগরিকরা ফিলিস্তিনে যুদ্ধাপরাধ করলে, তাকে বিচারের আওতায় আনতে পারবে সংস্থাটি।
উল্লেখ্য, গত জানুয়ারিতে আইসিসির সদস্য হওয়ার জন্য কাগজপত্র দাখিল করেছে ফিলিস্তিন।