রাজধানীর খিলগাঁওয়ে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাথে ‘বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছেন নুরুজ্জামান জনি (৩৫) নামে এক যুবক। নিহতের স্বজনদের দাবি, জনি খিলগাঁও থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক। খিলগাঁও রেলগেইট জোড়াপুকুর এলাকায় গত সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। জনির বাসা ১১৩, খিলগাঁও তিলপাপাড়া। বাবা ইয়াকুব আলী। খিলগাঁও থানা পুলিশ জানিয়েছে, জনি পেশাদার বোমাবাজ। তার বিরুদ্ধে খিলগাঁও এলাকায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও হেলপারকে পুড়িয়ে মারার ঘটনায়সহ ৬টি মামলা রয়েছে।
গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, সোমবার রাতে জনিকে পেট্রোল বোমাসহ পুরনো ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোড এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রাত আড়াইটার দিকে তার অন্য সহযোগীদের গ্রেফতারের জন্য গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম খিলগাঁও জোরপুকুর মাঠের প্রধান ফটক এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়িভাবে বোমা নিক্ষেপ ও গুলি ছোঁড়ে। দুই পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময়ের সময় জনি গুলিবিদ্ধ হয়। পরে গুলিবিদ্ধ জনিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে কয়েকটি গুলি ও বেশ কয়েকটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে গত রবিবার দিবাগত রাতে মতিঝিল এজিবি কলোনির কাঁচাবাজার এলাকায় পুলিশের সাথে ‘বন্দুক যুদ্ধে’ ইমরুল কায়েস (৩৮) নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। ইমরুল নড়াইল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন।
