চট্টগ্রামের আহত শিবির নেতার মৃত্যু, ঢাকায় পিকেটার গ্রেফতার

আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০১৫, ২০:২৭
চট্টগ্রামে বাসে বোমা মারতে গিয়ে হাতেই বিস্ফোরিত হয়ে আহত ছাত্রশিবির কর্মী সাকিবুল ইসলাম (২০) চার দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাতে ঢাকার এ্যাপলো হসপিটালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তিনি চট্টগ্রামের ধনিয়ালাপাড়া বায়তুশ শরফ আদর্শ মাদ্রাসার ছাত্র শিবির নেতা ছিলেন।
শুক্রবার রাত ৮ টার দিকে নগরীর কদমতলী এলাকায় বোমা বিস্ফোরণে আহত হন সাকিবুল। আহত অবস্থায় তিনি পুলিশের হাতে আটক হন। তাকে প্রথমে তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে দুই দিন লাইফ সাপোর্টে রাখার পর সোমবার রাতে ঢাকার অ্যাপোলো হসপিটালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাত তিনটার দিকে তিনি মারা যান। নিহত সাকিবুল ইসলাম লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা গ্রামের মৃত ওসমানুল হকের ছোট ছেলে।
বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার পর পুলিশ বাদী হয়ে কোতয়ালি থানায় বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা করেন। মামলায় সাকিবুলের বিরুদ্ধে রাস্তায় বোমা নিক্ষেপের অভিযোগ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, সাকিবুলের মৃত্যুর জন্য পুলিশের নির্যাতনকে দায়ি করেছে জামায়াত ইসলামী। বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর, দক্ষিণ ও উত্তর জেলা জামায়াতের এক যুক্ত বিবৃতিতে এ অভিযোগ করা হয়।
ঢাকায় পিকেটার গ্রেফতার : রাজধানীর পল্লবী থানার কালশী এলাকায় বাসে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে পালানোর সময় এক পিকেটারকে জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তার নাম ইমরান (২০)।
পল্লবী থানার ওসি জিয়াউজ্জামান জানান, মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে গাবতলী থেকে আবদুল্লাহপুরগামী প্রজাপতি পরিবহনের একটি বাসে যাত্রীবেশে এক যুবক ওঠে। বাসটি পল্লবীর কালসি ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছলে ঐ যুবক বাস থেকে নেমে দুইটি পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে। কিন্তু বোমা দুইটি বাসের বডিতে লেগে মাটিতে পড়ে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে কর্তব্যরত পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় ইমরানের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে বিস্ফোরক আইনে মামলা করেছে। এ মামলায় ইমরানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছে।