বারবার পেছানো হচ্ছে জাতীয় স্কুল হকি। টুর্নামেন্ট পেছানোর কারণ হিসেবে রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে দায়ী করছে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুসারে ১৫ জানুয়ারি মাঠে গড়ানোর কথা ছিলো স্কুল হকির দ্বিতীয় আসর। কিন্তু টুর্নামেন্ট শুরুর সময় ঘনিয়ে এলে ফেডারেশন থেকে জানানো হয় জানুয়ারির শেষ দিকে মাঠে গড়াবে।
সর্বশেষ জানা যায় ১লা ফেব্রুয়ারি রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও চুয়াডাঙ্গ এই তিনটি ভেন্যুতে খেলা শুরু হবে। বুধবার ফেডারেশন থেকে জানানো হয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ৩রা ফেব্রুয়ারি রাজশাহী ও চুয়াডাঙ্গার ভেন্যুতে খেলা শুরু হবে।
রাজশাহীতে ১২টি দল তিনটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। আর চুয়াডাঙ্গায় আটটি দল দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে একে অপরের বিপক্ষে লড়বে। গেলবার জাতীয় স্কুল হকির প্রথম আসরে ১০১টি স্কুল অংশ নিয়েছিলো। এবারের আসরে ১১টি ভেন্যুতে ১২০টি স্কুল অংশ গ্রহণ করবে।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, দিনাজপুর, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, রাজবাড়ী, জয়পুরহাট, সিলেট, বরিশাল, ও ময়মংসিংহ ভেন্যুর খেলা শেষে ৩২টি দলকে চূড়ান্ত পর্বের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে। চূড়ান্ত পর্বের খেলা হবে মওলানা ভাসানী জাতীয় হকি স্টেডিয়ামে।
টুর্নামেন্টের প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগ পাবেন। গত বছর জাতীয় স্কুল হকির সেরা ৪৬ জন খেলোয়াড়ের লেখা পড়ার দায়িত্ব নিয়েছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড। এ বছরও সেরা খেলোয়াড়দের বাছাই করে বৃত্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে।
