বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেছেন, ‘সবাই মিলে কাজ করলে ভাল লাগে, আনন্দ পাওয়া যায়। কাজের সফলতা আসে। বাংলাদেশের সব মানুষ মিলে যদি একসাথে কোন কাজ করে তাহলে আরো বেশি সফলতা আসবে। সবাই যদি বই পড়ে তাহলে দেশ আলোকিত হবে। আমাদের দেশে বর্তমানে ১৬ কোটি মানুষ আছে। তাদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, জনসম্পদে পরিণত করতে হবে। আর এজন্য বই পড়ার বিকল্প নেই।’
তিনি বলেন, আমরা মাত্র ১৫ জন সদস্য নিয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু করেছিলাম। আজ তা লক্ষ গুণ বেড়ে ১৫ লক্ষ হয়েছে। আর মাত্র এক’শ গুণ বাড়াতে পারলেই দেশের সব মানুষকে বইপড়া কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হবে।
IMG0
শুক্রবার সকালে খুলনার সরকারী করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত দেশভিত্তিক উৎকর্ষ কার্যক্রমের (বইপড়া) পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আয়োজনে ও গ্রামীণফোনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই পুরস্কার বিতরণী উৎসবে খুলনা মহানগরীর বইপড়া কর্মসূচির ২০১৪ শিক্ষাবর্ষে মহানগরীর ৪৫টি বিদ্যালয়ের তিন হাজার ২শ’ ৪২ জন শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। এ উপলক্ষে খুলনার সরকারী করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মাঠে বসেছিল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকদের প্রাণের মেলা। অনুষ্ঠানের শুরুতে সকালে ফুলের মালা কেটে উৎসবের উদ্বোধন করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুস সামাদ।
IMG1
দুই পর্বের এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যায়য়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, খুলনার জেলা প্রশাসক মো. মোস্তফা কামাল, বিশিষ্ট অভিনেতা ও নাট্য ব্যক্তিত্ব খায়রুল আলম সবুজ, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব জনাব আবদুন নূর তুষার, খুলনা সরকারী করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা-জনাব লায়লা আরজুমান, গ্রামীণফোনের খুলনা অঞ্চলের লিড ম্যানেজার মো. আহসানুল হক।
IMG2
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের উপদেষ্টা অঞ্জন কুমার দে। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ডেপুটি টিম লিডার (প্রোগ্রাম) মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ সুমন।
