ইন্দোনেশিয়ার একটি অবৈধ সোনার খনিতে ভূমিধসের ঘটনায় একজন নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছেন। ওই ধসের ঘটনায় অন্তত ৬০ জন খনির ভেতরে চাপা পড়েছে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। তাদের জীবিত উদ্ধারের জন্য চেষ্টা চলছে।
বুধবার ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ সংস্থা জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুলাওয়েসী দ্বীপে এ ঘটনা ঘটে। খনি ধসের কারণে সেখানে ভূমিধস হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় জরুরি বিভাগের কর্মীরা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র সুতোপো পুরওয়াও নুগরোহো জানান, লোকজনের কাজের সময় আকস্মিকভাবে ভূমিধস ঠেকানোর বোর্ড ধসে পড়ে। ধসে চাপা পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে রাতভর উদ্ধার তত্পরতা পরিচালনা করা হয়। উদ্ধার তত্পরতায় উদ্ধারকর্মীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন স্থানীয়রাও। রাতভর ওই কর্দমাক্ত পাহাড়ি এলাকায় নিখোঁজদের খোঁজে তত্পরতা চালিয়েছেন তারা। তবে আটকেপড়া শ্রমিকরা কী অবস্থায় রয়েছে তা তাত্ক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এক বিবৃতিতে জানায়, ওই ঘটনায় অন্তত একজনের লাশ পাওয়া গেছে। খনি ধসের ঘটনায় বুধবার ভোর পাঁচটার দিকে একজনের মরদেহের সন্ধান মিলেছে। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ১৩ জনকে। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের ভেতরে জীবিতদের উদ্ধারে সন্ধান চালাচ্ছে। দুর্যোগ সংস্থার মুখপাত্র সুতোপো পুরও নুগরোহো বলেন, ‘ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় ৬০ জন আটকা পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’ মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।
