ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির নেতা খোরশেদ আলমকে পুলিশ আটকের পর গুলি করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল রবিবার সকালে তাকে আটকের পরে বিকালে আহত অবস্থায় যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে বাম পায়ের হাঁটুর নিচে গুলি করেছে। যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের চিকিত্সক আখতারুজ্জামানও প্রাথমিকভাবে গুলিবিদ্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। কিন্তু পরবর্তীতে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইনামুল হকের চাপে তিনি খোরশেদ আলম ‘গণপিটুনিতে আহত’ বলে উল্লেখ করেছেন। আহত খোরশেদ আলম ঝিকরগাছা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক।
খোরশেদ আলমের বোন মুন্নী বেগম জানান, শনিবার রাতে ট্রাক ও প্রাইভেট কারে বোমা হামলার অভিযোগে পুলিশ খোরশেদ আলমকে আটক করে। সকালে পরিবারের লোকজন থানায় গেলে তাদের জানানো হয়, তাকে আদালতে নেয়া হচ্ছে। কিন্তু এরপর আদালত, ডিবি অফিস, র্যাব অফিস কোথাও তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। বিকালে তারা জানতে পারেন, গুলিবিদ্ধ খোরশেদ আলমকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে খোরশেদ আলমের স্ত্রী তাহমিনা বেগম সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ তার স্বামীকে গুলি করেছে বলে অভিযোগ করেছেন।
