উল্লাপাড়ার বাঁখুয়ায় রবিবার বিকেলে হরতালকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ জামায়াত নেতা ছাইদুর রহমান সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোররাতে মারা যান। তিনি উল্লাপাড়া উপজেলার বাঁখুয়া গ্রামের বাছের প্রামানিকের ছেলে। নিহত ছাইদুর রহমান উল্লাপাড়া সদর ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক ও একজন ঢেউটিন ব্যবসায়ী।
থানা সূত্রে জানা গেছে, রবিবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে উল্লাপাড়া থানা পুলিশ হরতালকারীদের গ্রেফতারের জন্য বাঁখুয়া গ্রামে অভিযান চালালে হরতালকারীরা বোমা, ককটেল, লাটিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের উপর আক্রমণ চালায়। তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা ও ককটেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালালে জামায়াত নেতা ছাইদুর গুলিবিদ্ধ হন। এতে থানার ওসি তাজুল হুদাসহ ৩ পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হন। পুলিশ গুলিবিদ্ধ ছাইদুরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে ভোর রাতে তার মৃত্যু হয়। এদিকে এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াত ৩ দিনের এক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- মঙ্গলবার সারা জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ, বুধবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল, বৃহস্পতিবার দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান।
উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাজুল হুদা জানান, ঘটনাস্থল থেকে ১টি পেট্রোল বোমা ও কয়েকটি ককটেলসহ গুলিবিদ্ধ জামায়াত নেতা ছাইদুর রহমানকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার বিরুদ্ধে থানায় নাশকতা, গাড়ি ভাংচুর ও পুলিশের কাজে বাধাদানসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
