নাশকতাকারীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ০১:৪৮

দেশব্যাপী চলমান রাজনৈতিক সহিংসতা, আগুনে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা, ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদ এবং এর প্রতিকারের দাবি জানিয়েছে ‘সহিংসতা প্রতিরোধে জনতা’। শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন খুশী কবির, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, লেখক আনোয়ার পারভেজ, মেঘনা গুহঠাকুরতা ও জাহানারা নুরী প্রমুখ।
খুশি কবির বলেন, নাশকতাকারীদের গুলি করে বা ট্রাকচাপা ?দিয়ে মারা হচ্ছে এটা কখনই কাম্য নয়। নাশকতাকারীদের বিচারের আওতায় আনা হোক। বিচার বিভাগের ওপর সরকারের আস্থা নেই বলেই এমন হত্যাকাণ্ড ঘটানো হচ্ছে। গণতন্ত্র ও রাজনীতির নামে সারাদেশে যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মানুষ হত্যা করা হচ্ছে তা আমাদের কাম্য নয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, অনতিবিলম্বে হত্যা ও ধ্বংসের অপরাজনীতি বন্ধ করে জনজীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
অন্যদিকে, নিরপরাধ মানুষকে গুলি করে না মারতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রুহুল আমিন গাজী। শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন ও সমাবেশে তিনি এ আহ্বান জানান। গণতন্ত্র, ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, বিনা বিচারে হত্যাকাণ্ড বন্ধ এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতার দাবিতে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ।
সারাদেশে চলমান সহিংসতা বন্ধ ও রাজনৈতিক সঙ্কট নিরসনে দেশের বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে সংলাপে বসে একটি সুষ্ঠু সমাধানের অনুরোধ জানান রুহুল আমিন।

এছাড়া চলমান সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ হিজড়া কল্যাণ ফাউন্ডেশন। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন করে ফাউন্ডেশনের প্রায় অর্ধশতাধিক সদস্য। মানববন্ধন থেকে বর্তমান সহিংসতা নিরসন করে দ্রুত শান্তি ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়। একইসঙ্গে দেশের ২৫ লাখ এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ ১৬ কোটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিও জানানো হয়। মানববন্ধন শেষে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলে ‘সংলাপ নয় শান্তি চাই, বাঁচার মতো বাঁচতে চাই’ শিরোনামে স্লোগান দেয়া হয়। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিজড়া কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি আবিদা সুলতানা মিতু, সাংগঠনিক সম্পাদক লুত্ফর রহমান ফটিক প্রমুখ।