যাদবের জোড়া আঘাতে পাক শিবিরে ধস

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ১১:১৯
সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে == উইকেটে জয় পেয়েছে জিম্বাবুয়ে।  ২৮৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে == ওভার==বল খেলে == উইকেট হারিয়ে জয়ের নোঙ্গরে পৌঁছে তারা।  বৃহস্পতিবার নিউজিল্যান্ডের নেলসনের স্যাক্সটন ওভাল মাঠে বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় শুরু হয় খেলা।  
 
তবে জিম্বাবুয়ের জন্য জয়টা এতো সহজ ছিল না। ওপেনিং জুটিতে ৬২ রান যুক্ত হলেও দ্বিতীয় উইকেটে আসে মাত্র ১০ রান।  দলটির অভিজ্ঞ নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান মাসাকাদজা দলীয় ৭২ রানে জাভেদের বলে এলবির ফাঁদে পড়েন। তিনি করেন মাত্র ১ রান। অধিনায়ক তৌকিরের বলে সিকান্দার রাজা সাজ ঘরে ফেরেন ৪৫ রান করে। রেগিস চাকাভা দলীয় ১১৩ রানের মাথায় তৌকিরের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন। তিনি করেন ৩৫ রান। টেইলর ৪৭ রানে আজিজের বলে এলবির ফাঁদে পড়লে উচ্ছ্বাসিত হয়ে পড়ে আমিরাত শিবির।  উচ্ছ্বাসিত হবে না কেন, তখন যে দলীয় রান ৪ উইকেটে ১৪৪। কিন্তু না, সেই উচ্ছ্বাসকে বাড়তে দেয়নি উইলিয়ামস ও  ক্রেইগ আরভিন। এই জুটি করে ৮৩ রান। আরভিন ৪২ রানে আউট হলেও উইলিয়ামস তুলে নেন অর্ধশত।
এরআগে আমিরাত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ২৮৫ রান।  টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে  দলীয় ২৬ ও  ৪০ রানে আমিরাত  আমজাদ আলি ও আন্দ্রি বেরেঙ্গারকে হারায়। তৃতীয় জুটিতে যুক্ত হয় ৮২ রান।  কৃষ্ণচন্দ্র ব্যক্তিগত ৩৪ রান এবং এ আসরের সবচেয়ে বুড়ো খেলোয়াড় খুরমান ৪৫ রানে আউট হন।
আমিরাতের পক্ষে সবচেয়ে বেশি রান করেন সাইমন আনওয়ার। তিনি ৫৯ বলে করেন ৬৭ রান। এছাড়া পাতিল ৩২, জাভেদ ২৫, নাভিদ ২৩ রান করেন। অতিরিক্ত আসে ২৬টি রান। আমিরাতের এটি ওয়ানডে ম্যাচে সর্বাধিক রান। জিম্বাবুয়ের উইলিয়ামস ও সলোমন নেন দুটি করে উইকেট। টেন্ডাল চাটারা নেন তিনটি উইকেট।
এ আসরে জিম্বাবুয়ের এটি দ্বিতীয় ম্যাচ। তারা প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে ৩৪০ রানের লক্ষ্য তাড়া করেও হারে মাত্র ৬২ রানে। হেমিল্টন মাসাকাদজা করেন ৮০ রান।
প্রস্তুতি ম্যাচে তারা অবাক করে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দেয়। আত্মপ্রত্যয়ী জিম্বাবুয়ে এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে জয়ের যাত্রা শুরু করতে চায়।
অপরদিকে ১৯৯৬ সালের পর এবার মিলিয়ে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ খেলছে আমিরাত। 
৯৬ সালে তাদের দলে একজন ক্রিকেটার ছিলেন যিনি আমিরাতে জন্মগ্রহণ করেন। এবছর অবশ্য রয়েছেন অধিনায়ক তৌফিকসহ দুজন। আমিরাতের দলে রয়েছেন এ বছরের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বেশি বয়সী খেলোয়াড় খুরমান। তিনি কোচ আকিব জাভেদের চেয়েও এক বছরের বড়। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে সবাইকে অবাক করে তিনি করেছিলেন  ৮৬ রান।  
 
জিম্বাবুয়ের একাদশে যারা আছেন তারা হলেন, ব্রেন্ডন টেইলর (উইকেটরক্ষক), এলটন চিগুম্বুরা (অধিনায়ক), সিকান্দার রাজা,   হ্যামিল্টন মাসাকাদজা, রেগিস চাকাভা, সলোমন, টেন্ডাই চাটারা, ক্রেইগ আরভিন, টাফাজওয়া কামুনগোজি,  টিনাশে পানিয়াঙ্গারা, শন উইলিয়ামস।
 
সংযুক্ত আরব আমিরাতের একাদশে আছেন, খুররাম খান, আন্দ্রি বেরেঙ্গার, কৃষ্ণা চন্দ্রন, মোহাম্মদ তৌকির (অধিনায়ক), স্বপ্নিল পাতিল (উইকেটরক্ষক), আমজাদ জাভেদ,  রোহান মুস্তাফা, শাইমান আনোয়ার, নাসির আজিজ, সাকলাইন হায়দার (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ নাভিদ ।