মুন্সীগঞ্জের নাটেশ্বরে চীন ও বাংলাদেশের যৌথ খননে ৫টি নির্মাণযুগসহ প্রায় এক হাজার বছরের প্রাচীন বৌদ্ধ নগরী আবিষ্কার হয়েছে। সোমবার দুপুরে খননস্থলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়েছেন বিক্রমপুর অঞ্চলে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও গবেষণা প্রকল্পের পরিচালক নূহ-উল-আলম লেনিন। এতে প্রধান অতিথি পররাষ্ট্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. গওহর রিজভী এবং বিশেষ অতিথি চীনের রাষ্ট্রদূত মা মিংকিং, জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল, পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার, প্রকল্পটির গবেষণা পরিচালক ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমান চীনের হুনান প্রভেন্সিয়াল ইনস্টিটিউট অব কালচারাল রেলিকস এন্ড আর্কেওলজির অধ্যাপক চাই হুয়াংবো এবং টঙ্গীবাড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার কাজী ওয়াহিদ আলোচনা করেন।
IMG0
প্রেস ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, চীন ও বাংলাদেশের যৌথ প্রত্নতাত্ত্বিক খননে গত প্রায় দুইমাসে অষ্টোকোণাকৃতি স্তূপের অবশিষ্ট অসাধারণ বাহু, কোণ এবং অভ্যন্তরীণ অষ্টোকোণাকৃতি স্তূপ, চ্যাম্বার ও মণ্ডপসহ নানা কিছু। প্রায় চার মিটার প্রশস্ত সীমানা প্রাচীর অবশিষ্ট দুই জোড়া চর্তুস্তুপ আবিষ্কৃত হয়। প্রাচীন ইট নির্মিত দুইটি পাকা রাস্তার নির্মাণ শৈলীও আকর্ষণীয়। ২ দশমিক ৭৫ মিটার প্রশস্ত আঁকাবাঁকা একটি বিশেষ দেয়াল। ৭ মিটার গভীরতায় ৫টি নির্মাণযুগের প্রত্ননিদর্শন; বিক্রমপুরের দীর্ঘ সময় ব্যাপী এক সমৃদ্ধ সভ্যতার সাক্ষ্য বহন করে। এর আগে অতিথিবৃন্দ এবং গবেষকগণ খনন এলাকা ঘুরে দেখেন।
যৌথ প্রত্নতাত্ত্বিক এই খনন কাজে চীনের চারজন এবং দেশের ২০ জন গবেষক অংশ নেন। চলতি মাস পর্যন্ত এই খনন শেষে এগুলো ঢেকে রাখা হবে। আগামী নভেম্বর থেকে পুনরায় আবার খনন শুরু হবে।
