ট্রমাজনিত মৃত্যু ও পঙ্গুত্ব রোধে চালু হলো বিশেষ কোর্স

আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:৩৩

ট্রমাজনিত মৃত্যু ও পঙ্গুত্ব রোধে দেশে অ্যাডভান্সড ট্রমা লাইফ সাপোর্ট (এটিএলএস) নামে বিশেষ কোর্স চালু হয়েছে। বর্তমানে ভারত, শ্রীলংকা, পাকিস্তান, হংকং, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, চীন, ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, থাইল্যান্ডসহ বিশ্বের ৮৩টি দেশে এই কোর্স চালু রয়েছে। নতুন সদস্য দেশ হিসেবে ৮৪তম দেশ হলো বাংলাদেশ।

গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস্ এন্ড সার্জনসের (বিসিপিএস)- স্কিল ডেভেলপমন্টে ল্যাবে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিসিপিএস। সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বিসিপিএস’র সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। সহ সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফিরোজ কাদির, কাউন্সিলর অধ্যাপক ডা. এস এ এম গোলাম কিবরিয়া, ভারতের মহাত্মা গান্ধী ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি’র উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মহেশ চন্দ্র মিশ্রা প্রমুখ। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিসিপিএস’র অনারারি সচিব অধ্যাপক ডা. এম এ জলিল চৌধুরী। 

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ডাক্তারদের জন্য আমেরিকান কলেজ অব সার্জনস এন্ড ট্রমা কমিটির চালুকৃত এটিএলএস কোর্সটি বর্তমানে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। উন্নত দেশের ডাক্তারদের জন্য এটি বাধ্যতামূলক কোর্স। বিসিপিএস ও দ্য সোসাইটি অব সার্জনস্ অব বাংলাদেশ এবং আমেরিকান কলেজ অব সার্জনসে্র মধ্যকার চুক্তির অধীনে বাংলাদেশে এই কোর্স চালু হয়েছে। কোর্সটির অবকাঠামো গঠন, অনুষদের প্রশিক্ষণসহ সার্বিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে বিসিপিএস।

বিশেষজ্ঞরা জানায়, ট্রমা ব্যবস্থাপনাটি মূলতঃ একটি দুর্ঘটনাস্থল থেকে শুরু করে তিন স্তরের চিকিত্সা সেবার সাথে শুরু করা হয়। হাসপাতালের চিকিত্সা সেবা জরুরি বিভাগ থেকে শুরু হয়। কিন্তু দুর্ঘটনাস্থল থেকে রোগীকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসার সময়টি সব চাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ওই সময়ে রোগীদেরকে জরুরি ভিত্তিতে চিকিত্সা সেবা দেয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশের ট্রমা চিকিত্সা ব্যবস্থাপনায় এই ব্যাপারে অনেকটাই ঘাটতি আছে। এই ঘাটতি মেটানোর জন্য ডাক্তারদের এটিএলএস কোর্স করা প্রয়োজন।