আকস্মিকভাবে রাস্তায় বের হলো লাঠিসোটাসহ একটি বিক্ষোভ মিছিল। ঠিক সেই সময় যাচ্ছিলো একটি যাত্রীবাহী বাস। মিছিল থেকে চালানো হলো হামলা, চললো ভাংচুর। পেট্ট্রোল বোমা ছুড়ে জ্বালিয়ে দেয়া হলো বাসটি। এরপর আহত মানুষের আহাজারি আর অসহ্য যন্ত্রনায় কাতরানির শব্দ।
মুহুর্তেই ছুটে আসলো বিজিবি-পুলিশ-ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। চললো সন্ত্রাসীদের আটক এবং আহত অগ্নিদগ্ধ যাত্রীদের উদ্ধারে অভিযান। আহত বাসযাত্রীদের নিয়ে সাইরেন বাজিয়ে এ্যম্বুলেন্স ছুটে চললো হাসপাতালের দিকে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে শিক্ষার্থী ও জনসাধারণের সামনে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এভাবেই মহড়া চলানো হয়েছে। সারাদেশে বর্তমানে চলমান নাশকতা, সন্ত্রাসী হামলা ও সহিংসতা প্রতিরোধে এই মহরার আয়োজন করা হয় কুড়িগ্রামস্থ ৪৫ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের আয়োজনে এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর সহযোগিতায়।
এ সময় মহড়া পর্যবেক্ষণ করেন- কুড়িগ্রাম সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সাবিহা খাতুন, কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক এ বি এম আজাদ, পুলিশ সুপার ডা. মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ, ৪৫ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল মো. জাকির হোসেন ও উপ-পরিচালক মেজর হেমায়েতুল ইসলাম, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রংপুর বিভাগীয় উপ-পরিচালক সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস প্রমুখ।
