বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয় তল্লাশির নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মূখ্য মহানগর হাকিমের আদালত। গুলশান থানা পুলিশের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার এই তল্লাশি পরোয়ানা জারি করেন মহানগর হাকিম এস এম মাসুদ জামান।
এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ ট্রাস্ট সংক্রান্ত দুটি মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। আগামী ৪ মার্চ ওই মামলার শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানিয়েছেন, খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারে আইনগত কোন বাধা নেই। এদিকে বিশেষ জজ আদালতের বিচারকের বিরুদ্ধে অনাস্থার আবেদনটি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খানের মিছিলে হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় গুলশান থানায় বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা হয়েছিলো। ওই মামলায় খালেদা রজিয়াকে হুকুমের আসামি করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই ফিরোজ কবির কার্যালয় তল্লাশি করার জন্য আদালতের নির্দেশ চান। পুলিশের আবেদনে বলা হয়, ওই কার্যালয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য থাকতে পারে এবং পলাতক আসামিরা সেখানে থাকতে পারেন।
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি গুলশান ২নম্বরে নৌ-পরিবহনমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মিছিলে হাতবোমা হামলার ঘটনা ঘটে।
ঢাকা জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন বাচ্চুর দায়ের করা মামলাটিতে ১৪ জনকে আসামি করা হয়।
এরা হলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদ, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান, সাভারের সাবেক এমপি দেওয়ান সালাহ উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবির খান, বাড্ডার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুল কাইয়ুম, ফরিদগঞ্জ চাঁদপুরের মোস্তফা, মামুন এবং মানিক।
