এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ডুয়াইন স্মিথকে হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলীয় ৮ রানের মাথায় মোহাম্মদ সামির বলে ধোনির হাতে ক্যাচ দেন তিনি। এরপর দলের স্কোরে মাত্র ৭ রান যোগ হতেই রান আউট হন মারলন স্যামুয়েলস। দু’একটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলকে বিপর্যয় থেকে উদ্ধারের আভাস দিয়েছিলেন আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল। কিন্তু তিনিও দলীয় ৩৫ রানের মাথায় একটি বড় শট হাকাতে গিয়ে মোহাম্মদ সামির দ্বিতীয় শিকার হন। সামির পর এবার উমেশ যাদব। পরের ওভারের প্রথম বলেই রামদিনকে বোল্ড করেন তিনি। এরপর সিমন্স ও কার্টার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। তবে তাদের সেই চেষ্টাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৩২ রানের জুটি গড়ে ব্যক্তিগত ৯ রানে আউট হন সিমন্স। মোহিত শর্মার বলে উমেশ যাদবের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। পরপরই কার্টার আউট হলে বড় স্কোরের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় ক্যারিবিয়ানদের। অধিনায়ক জেসন হোল্ডারের ৫৭ রানের ইনিংসের সুবাদে শেষ পর্যন্ত ১৮২ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় ক্যারিবিয়ানরা।
টানা চার ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করল ভারত। শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার পার্থে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে তারা। এই জয়ের ফলে চার ম্যাচ শেষে ৮ পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ গ্রুপের শীর্ষস্থান আরও শক্তিশালী করল গতবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নস।
শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার ওয়াকায় টস জিতে ব্যাট করে সব উইকেট হারিয়ে ১৮২ রান সংগ্রহ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে ৪ উইকেট ও ১০.৫ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছায় ধোনির দল।
ছোট লক্ষ্যে খেলতে নেমেও সতর্কভাবেই শুরু করে ভারত। কিন্তু উইকেট পতন আটকাতে পারেনি তারা। দলীয় ১১ রানের মাথায় টেইলরের বলে স্লিপে সামির হাতে ক্যাচ দেন ধাওয়ান। এরপরপরই দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন টেইলর। এবার তার শিকার হন আরেক উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা। ৬৩ রানের মাথায় ব্যক্তি ৩৩ রান করে বিরাট কোহলি আউট হয়ে গেলে প্রাথমিক চাপে পড়েন ধোনিরা। এর রাহানে আউট হয়ে গেলে ম্যাচের পাল্লা দুদিকেই সমান হয়ে যায়। ১০৫ রানের মাথায় রাইনা আউট হয়ে গেলে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক ধোনি ও জাদেজা। দুজনে মিলে দলীয় স্কোরে যোগ করেন ২৭ রান। তবুও চাপমুক্ত হয়নি ভারত। শেষমেশ অশ্বিনকে সঙ্গে করে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক ধোনি।
