বাসে ককটেল হামলায় ১ জন নিহত, ৬ শিবিরকর্মীকে গণপিটুনি

আপডেট : ০৮ মার্চ ২০১৫, ২০:৩৯
জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার করিমপুর এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে ককটেল হামলায় একজন মারা গেছেন। এ সময় ছয় শিবির কর্মীকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা।
রবিবার বিকেল ৪টার সময় ক্ষেতলাল-কালাই সড়কের করিমপুর নামক এলাকায় এ ঘটনায় গণপিটুনির শিকার শিবির কর্মীদের ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

হামলায় আহত উজ্জল নামে এক বাস যাত্রীকে প্রথমে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা  হয়। পরে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত উজ্জল জয়পুরহাট শহরের চিত্রাপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
 
গণপিটুনিতে আহত শিবির কর্মীরা হলেন- জয়পুরহাট সদর উপজেলার হিচমী দক্ষিণপাড়া গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে আসাদুল্লাহ (২৫), একই উপজেলার সগুনা গ্রামের রমজান আলীল ছেলে হাসান (২৫), মাধবপাড়া গ্রামের আ. রহমানের ছেলে নূর আলম (২৬), আক্কেলপুর উপজেলার ভানুকান্দা গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে সাকোয়াত হোসেন সোহেল (২৬), নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার রসুলপুর গ্রামের মৃত. রেজাউল করিমের ছেলে আ: খালিদ ও পত্নীতলা উপজেলার চক সহবদ গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে ছানাউর রহমান (২৬)।  
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, রবিবার বিকেলে ক্ষেতলালের ইটাখোলা বাজার থেকে যাত্রীবাহী একটি বাস মোলাম গাড়ির উদ্দেশে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে করিমপুর এলাকায় বাসটি পৌঁছলে দু’টি মোটরসাইকেলে থাকা ৬ যুবক বাসকে লক্ষ করে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। অতপর তারা বাসে পেট্রোল ঢালার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে। 
এ সময় স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের একটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয় এবং ৩ জনকে গণপিটুনি দেয়। অপরদিকে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের সংবাদে নিশ্চিন্তা বাজারে আর একটি মোটরসাইকেলও আটক করে সেখানে থাকা যুবকদের গণপিটুনি দেয়।
পরে খবর পেয়ে থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পুলিশ তাদের কাছ থেকে ৫টি পেট্রোল বোমা, ১টি ককটেল ও ২টি পটকা উদ্ধার করে।