যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ভিত্তিক সেন্টার ফর ইনকোয়ারি (সিএফআই) নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের কাছে রাফিদা আহমেদ বন্যা এক সাক্ষাতকার অভিযোগ করেছেন, ঘটনার দিন হামলার সময় তাদের কাছে পুলিশ অবস্থান করছিল। পুলিশের কাছ থেকে তারা কোন সহযোগিতা পাননি। এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ‘ তিনি ও অভিজিৎ হামলার শিকারের সময় পুলিশ খুব কাছাকাছি স্থানে ছিল যা কোন ভূমিকা রাখেনি।’ বন্যার স্বামী একজন বিজ্ঞান মনষ্ক লেখক ও উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠী সম্পর্কে লেখালেখি করতেন।
তিনি আরো বলেন, এটা কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, মুক্তচিন্তা ও মানবতার বিরুদ্ধে আক্রমণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি মুক্তচিন্তা চর্চা ও স্বাধীনভাবে চলাফেরার জায়গা। ফলে তাদের প্রতি হত্যার হুমকি থাকা সত্ত্বেও তারা এই ধরণের জঘন্য অপরাধ সংগঠিত হওয়ার কথা চিন্তাও করেননি। তিনি খুনিদের বিচারের আওতায় আনার জন্য সরকার প্রতি দাবি জানান।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যাকে সঙ্গে নিয়ে একুশে বইমেলা থেকে বের হওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মোড়ের কাছে জঙ্গি কায়দায় হামলায় নিহত হন অভিজিৎ। আহত বন্যাকে যুক্তরাষ্ট্রে উন্নত চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
