দলীয় ৯২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়লেও সুরেশ রায়নার অসাধারণ সেঞ্চুরি আর অধিনায়ক ধোনির দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৬ উইকেটে জয় পেয়েছে ভারত। ২৮৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেট হারিয়ে ৪৮.৪ ওভার খেলে জয়ের নোঙ্গরে পৌঁছে যায় ভারত। ম্যাচ সেরা হন রায়না।
শনিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে ম্যাচটি শুরু হয়। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ভারত গ্রুপ পর্বের ছয়টি খেলায় অপরাজিত থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলবে।
২৮৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত দলীয় ২১ রানে দুই ওপেনার হারায় । ওপেনার রহিত শর্মা ও শিখর ধাওয়ানকে সাজ ঘরে পাঠান পেসার পানিয়াঙ্গারা।
রাহানে রান আউটের ফাঁদে পড়লে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭১ রানে ৩ উইকেট।
আর ২১ রান যোগ হতে না হতেই দলীয় ৯২ রানে সাজ ঘরে ফেরন বিরাট। দলের এই বিপদের মুহূতে রায়না ও ধোনি প্রতিরোধের দেয়াল হয়ে দাঁড়ান। এই জুটি থেকে আসে ১৬৩ রান।
রায়না ১০৪ বল খেলে ১১০ রান করে থাকেন অপরাজিত। আর ধোনি ৭৬ বলে খেলে অপরাজিত থাকেন ৮৫ রানে। রায়না ৯টি চার ও ৪টি ছক্ক এবং ধোনি ৮ চার ও ২ ছক্কা হাঁকান।
খেলার শুরুতে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলিং তোপে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ৩৩ রানে তারা হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট।
ওপেনার সিবান্দা ও মাসাকাদজা দলীয় ১১ ও ১৩ রানে সাজ ঘরে ফিরে যান। তৃতীয় উইকেট হারায় ৩৩ রানে। এরপর চতুর্থ উইকেটে উইলিয়ামস ও টেইলর হাল ধরেন। এই উইকেট থেকে আসে গুরুত্বপূর্ণ ৯৩ রান।
উইলায়ামস দ্রুতই তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। তিনি ৫৭ বলে ৫০ রান করে আউট হন।
অপরপ্রান্তে টেইলরের ১৩৮ রানের মহাকাব্যময় ইনিংস জিম্বাবুয়েকে খেলায় ফিরিয়ে আনে। টেইলর ১১০ বল খেলে আউট হন।
সিকান্দার রাজা ১৫ বলে ২৮ রানের একটি ঝড়ো ইনিংস খেলেন। ৪৮.৫ ওভার খেলে সব উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ করে ২৮৮ রান।
ভারতের পক্ষে সামি, যাদব, মোহিত শর্মা নেন ৩টি করে উইকেট।
গ্রুপ পর্বে অপরাজিত ভারত। অপর দিকে জিম্বাবুয়ের পাঁচ খেলায় জয় মাত্র একটিতে।
এ পর্যন্ত দুই দল ৫৭ ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছে। তার ৪৫টিতে ভারত ও ১০টিতে জিম্বাবুয়ে জয়ী হয়েছে। অন্য দুই ম্যাচ হয়েছে টাই।
