কমছে চালের দাম

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০১৫, ১৪:০৬
 
 
সরবরাহ বাড়ায় রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা বাজারে সব ধরনের চালের দাম কমতে শুরু করেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি চালে ২ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। তবে খুচরা বাজারে দাম কমছে ধীরে। চাল ব্যবসায়ীরা জানান, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের টানা হরতাল-অবরোধের কারণে সারাদেশে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছিল। কিন্তু এখন যান চলাচল অনেকটা স্বাভাবিক হওয়ায় রাজধানীতে পণ্য সরবরাহ বেড়েছে। ফলে চালের দাম কমতে শুরু করেছে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে সাধারণ মানের নাজিরশাইল/মিনিকেট ৪০ থেকে ৪৬ টাকা, ভালো মানের নাজিরশাইল/মিনিকেট ৪৮ থেকে ৫৩ টাকা, সাধারণ মানের পাইজাম/লতা ৩৬ থেকে ৪০ টাকা, ভালো মানের পাইজাম/লতা ৪০ থেকে ৪২ টাকা ও মোটা চাল ( ইরি/স্বর্ণা) ২৯ থেকে ৩২ টাকায় বিক্রি হয়। কিন্তু এক সপ্তাহ আগেও সব ধরনের চালই কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা বেশি দরে বিক্রি হতো।
কাওরানবাজারের চাল ব্যবসায়ী আমিনুল জানান, প্রতিবছর এ সময় চালের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। কিন্তু এবার কম। তিনি বলেন, যারা এবার চালের মজুদ গড়েছিলেন, তারা হরতাল-অবরোধের কারণে সময়মতো চাল ছাড়তে পারেননি। কিন্তু এখন যানবাহন চলাচল অনেকটা স্বাভাবিক হওয়ায় মজুদকারীরা চাল ছেড়ে দিচ্ছেন। কারণ আর মাসখানেকের মধ্যেই বাজারে বোরো মৌসুমের নতুন চাল উঠবে। ফলে সরবরাহ বাড়ায় দাম কমছে। সামনে চালের দাম আরো কমতে পারে বলে তিনি জানান।
দাম কমছে পেঁয়াজ, রসুনের, বেড়েছে ব্রয়লার মুরগীর
গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দামও কমতে শুরু করেছে। গতকাল বাজারে দেশি পেঁয়াজ মানভেদে ৩৩ থেকে ৩৮ টাকা ও আমদানিকৃত পেঁয়াজ মানভেদে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। কিন্তু এক সপ্তাহ আগে দেশি পেঁয়াজ মানভেদে ৪২ থেকে ৪৫ টাকা ও আমদানিকৃত পেঁয়াজ মানভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। এছাড়া দেশি রসুনের দাম কেজিতে ১০ টাকা কমে ৫০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তবে দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির। গতকাল বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয় ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ১৩৫ থেকে ১৪৫ টাকা।