সৈয়দপুরে রেলওয়ের জমিতে বহুতল ভবন

আপডেট : ১৭ মার্চ ২০১৫, ১০:০২



পশ্চিমাঞ্চল রেলের পাকশী ডিভিশনের হস্তক্ষেপে সৈয়দপুর থানায় দুই দফায় অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে ৭০টি মামলার পাশাপাশি আরও ৭২ জনকে উকিল নোটিস দেয়া হয়েছে।
সৈয়দপুরে রেলওয়ের জমি অবৈধভাবে দখল করে নির্মাণ করা হচ্ছে একাধিক বহুতল ভবন।
পশ্চিমাঞ্চল রেলের পাকশী ডিভিশনের হস্তক্ষেপে সৈয়দপুর থানায় দুই দফায় অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে ৭০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও ৭২ জনকে অবৈধ দখলদারকে উকিল নোটিস দিয়েছে। মামলা ও উকিল নোটিশ দেয়ার পরেও প্রকাশ্যে চলছে বহুতল ভবনগুলোর কাজ। এতে করে রেলওয়ের সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
জানা যায়, চলতি বছরের ২৫ ও ২৬ জানুয়ারি রাতে দু’দফায় সৈয়দপুর রেলওয়ের জমিতে অস্থায়ীভাবে গড়ে উঠা কাপড় মার্কেট, মসলা ও মনিহারি পট্টিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। এতে প্রায় দেড় শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডে ওই দুই মার্কেটের আধাকাঁচা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিগ্রস্ত মালিকরা এই অগ্নিকাণ্ডকে আশীর্বাদ হিসাবে পেয়ে দিনেরাতে বাঁধাহীনভাবে রেলওয়ের ওই জায়গায় বহুতল ভবন নির্মাণে মেতে উঠেছে। এর সঙ্গে যোগ হয়ে এই সুযোগে অন্যান্য ব্যবসায়ী যাদের দোকান আগুনে পুড়ে যায়নি তারাও দোকানপাট ভেঙ্গে ফেলে স্থায়ীভাবে বহুতল পাকা ভবন স্থাপনা নির্মাণে নেমে পড়েছে।
রেলওয়ের আইনজীবী রাফিউল ইসলাম খাজা জানান, এ ব্যাপারে স্থানীয় পৌরসভার বিরুদ্ধে আদালত থেকে নকশা না দেয়ার জন্যেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তিনি বলেন, অন্য ১৭/৯ নং মামলায় জজকোর্টের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বিল্ডিং না করার বিষয়ে। তাই বহুতল ভবন নির্মাণ বন্ধ রাখার জন্য ৭২ জনকে উকিল নোটিশ করা হয়েছে। বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে রেলের জমি তারা ছেড়ে না দিলে তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করা হবে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) নূর আহমেদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, রেলওয়ের এসব জমি দেখাশুনার দায়িত্ব পাকশীর এস্টেট বিভাগের। এরপরেও কারখানার পক্ষ থেকে রেলপথ মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছি।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন জানান, মামলার বিষয়গুলি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আদেশ চাওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।