৪৭ সমকালীন শিল্পীর প্রাচ্যধারার শিল্পকর্ম নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারিতে মঙ্গলবার শুরু হলো প্রাচ্যচিত্রকলা প্রদর্শনী।
মঙ্গলবার বিকেলে সপ্তাহব্যাপী এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেনস সংস্কৃতি সচিব ড. রণজিত্ কুমার বিশ্বাস ও মাহিন গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবদুলাহ আল মাহমুদ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চারুকলা অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক সৈয়দ আবুল বারক আলভী। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ওরিয়েন্টাল পেইন্ট স্টাডি গ্রুপের আহ্বায়ক ও কিউরেটর ড. মলয় বালা।
ওরিয়েন্টাল পেইন্ট স্টাডি গ্রুপ আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাচ্যকলা বিষয়ে শিক্ষাপ্রাপ্ত প্রবীণ ও নবীন শিল্পীবৃন্দ এবং সমকালীন কয়েকজন শিল্পী ও দুইজন অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রাচ্যচিত্র চর্চাকারী শিল্পী।
প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী ৪৭ শিল্পীর চিত্রকর্মে শিল্পাচার্য অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রবর্তিত ওয়াশ পদ্ধতির চিত্রকর্মই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে।
প্রদর্শনী ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
প্রসঙ্গত, ২১ জন শিল্পীর চিত্রকর্ম নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনীর মাধ্যমে ২০০৯ সালে ওরিয়েন্টাল পেইন্টিং স্টাডি গ্রুপ যাত্রা শুরু করে। সংগঠনটির লক্ষ্য প্রাচ্যধারার চিত্রকে সমসাময়িক চিন্তা ভাবনায় উপস্থাপিত করা। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালে ১০ শিল্পীর চিত্রকর্ম নিয়ে ও ২০১১ সালে স্বতন্ত্রভাবে ক্যালিওগ্রাফি বিষয় নিয়ে তৃতীয় প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
প্রসঙ্গত, ২১ জন শিল্পীর চিত্রকর্ম নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনীর মাধ্যমে ২০০৯ সালে ওরিয়েন্টাল পেইন্টিং স্টাডি গ্রুপ যাত্রা শুরু করে। সংগঠনটির লক্ষ্য প্রাচ্যধারার চিত্রকে সমসাময়িক চিন্তা ভাবনায় উপস্থাপিত করা। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালে ১০ শিল্পীর চিত্রকর্ম নিয়ে ও ২০১১ সালে স্বতন্ত্রভাবে ক্যালিওগ্রাফি বিষয় নিয়ে তৃতীয় প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
২০১৪ সালে বাংলাদেশের সমকালীন ২২ শিল্পীর কাজ নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় ৪র্থ প্রাচ্যচিত্রকলা প্রদর্শনী। তারই ধারাবাহিকতায় এবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৫ম প্রদর্শনী।
কায়ায় ১০ তরুণের প্রদর্শনী
তরুণ শিল্পীদের নিয়ে যৌথ প্রদর্শনী চলছে উত্তরার গ্যালারি কায়ায়। শেষ হবে ২০ মার্চ। গত এক দশক ধরে গ্যালারি কায়া আয়োজিত প্রদর্শনীর মধ্যে যেমন বিখ্যাত শিল্পীর কাজ রয়েছে, তেমনি সম্ভাবনাময় তরুণদের প্রদর্শনীও হয়েছে। তরুণ সম্ভাবনাময় শিল্পীদের জলরং ও ছাপচিত্রের কাজ নিয়ে গ্যালারি কায়া এবার আয়োজন করেছে ‘কনটেম্পরারি ভাইবস (ওয়াটার কালারস অ্যান্ড গ্রাফিক প্রিন্টস)’ শীর্ষক প্রদর্শনী।
তরুণ শিল্পী বললেও প্রত্যেকেই নিজের স্টাইল খুঁজে পেয়েছেন। ছবি দেখে বোঝা যায় এটা কার কাজ। তরুণ বললেও এই যে নিজের শিল্প বৈশিষ্ট্য খুঁজে পাওয়া তুরণ শিল্পীর জন্য এটা কম কথা নয়। গ্যালারি কায়ার শিল্পী নির্বাচন দেখলে তাই বুঝতে কষ্ট হয় না কেন তাদের স্থান দেয়া হয়েছে।
১০ জন তরুণ শিল্পীর ৫৩টি চিত্রকর্ম রয়েছে প্রদর্শনীতে। এই শিল্পীরা হলেন নগরবাসি বর্মণ, আশরাফুল হাসান, কামাল উদ্দিন, আজমীর হোসেন, রুহুল আমিন তারেক, শাহানূর মামুন, আনিসুজ্জামান সোহেল, শেখ মো. রোকনুজ্জামান, আলপ্তগীন তুষার ও সোহাগ পারভেজ। ৬ মার্চ বিকালে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন শিল্পী আবুল বারক আলভী।
এ সময় অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতিবিদ বিনায়ক সেন। এ সময় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন গ্যালারি কায়ার পরিচালক শিল্পী গৌতম চক্রবর্তী।
