প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপের সেমি ফাইনাল নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৯ উইকেটে বড় ব্যবধানে জয় পেয়ে চতুর্থ বারের মত বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে প্রোটিয়ারা।
বুধবার অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৩৩ রানেই গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের তোপের মুখে দাঁড়াতেই পারেনি লঙ্কানরা। ৩৭.২ ওভারে মাত্র ১৩৩ রান করতেই সবকটি উইকেট হারাতে হয় তাদের।
জবাবে মাত্র ১৮ ওভারেই এক উইকেটে হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় প্রোটিয়ারা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ডি কক। ২১ রানে অপরাজিত থাকেন ফাফ ডু প্লেসি। হাশিম আমলার একমাত্র উইকেটটি নেন লাসিথ মালিঙ্গা।
এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৪ রানের মাথায় দুই উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের দল। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান কুশাল পেরেরা (৩) কাইল অ্যাবোটের বলে উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডি ককের গ্লাভসবন্দি হন। স্কোর বোর্ডে এক রান যোগ হতে না হতেই অপর উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তিলকারত্নে দিলশান (০) ডেল স্টেইনের শিকার হন। ডু প্লেসিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
এরপর কুমার সাঙ্গাকারা ও লাহিরু থিরিমান্নের ৬৫ রানে পার্টনারশিপে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু দলীয় ৬৯ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৪১ রান করে বিদায় নেন থিরিমান্নে। ইমরান তাহিরের কাছে কট এন্ড বোল্ড হয়ে প্যাভিলনে ফেরেন তিনি। মাহেলা জয়াবর্ধনে আউট হন দলীয় ৮১ রানের মাথায়। ব্যক্তিগত ৪ রান করে ইমরান তাহিরের বলে ডু প্লেসিসের হাতে ধরা পড়েন তিনি।
দলীয় ১১৪ রানে আউট হন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ (১৯)। জেপি ডুমিনির বলে তিনিও ডু প্লেসিসের হাতে ধরা পড়েন। থিসারা পেরেরা শূণ্য রানেই তাহির ইমরানের তৃতীয় শিকার হন।
৩৩তম ওভারের শেষ বলে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসকে আউট করার পর ৩৫তম ওভারের প্রথম দুই বলে নুয়ান কুলাসেকারা ও থারিন্ডু কুশলকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিক করেন ডুমিনি।
দক্ষিণ আফ্রিকান বোলারদের কাছে শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যাদের উইকেট বিলিয়ে দেয়ার উৎসবে এক প্রান্ত আগলে রাখা সাঙ্গাকারাও বিদায় নেন দলীয় ১২৭ রানে। মরনে মরকেলের বলে ডেভিড মিলারের হাতে ধরা পড়ার আগে তিনি ৯৬ বলে ৪৫ রান করতে সক্ষম হন।
