রাজধানীতে যাত্রীবাহী বাসের ভেতর থেকে গত সোমবার উদ্ধার করা লাশের পরিচয় মিলেছে। শহীদুল ইসলাম ইমন (৬) নামে ওই শিশুর বাবা আতাব উদ্দিন ও চাচা রফিকুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে লাশটি শনাক্ত করেন। বনানীর কাকলীতে ‘দেশবাংলা’ পরিবহনের একটি বাসের সিটের নিচ থেকে সোমবার বিকালে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।
বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ শাহিনূর রহমান লাশটি উদ্ধারের পর জানান, দেশবাংলা পরিবহনের বাসটি টঙ্গীর আবদুল্লাহপুর থেকে কাকলী যাচ্ছিল। যাত্রীরা বাসের ভেতর দুর্গন্ধ পেলে হেলপারকে খবর দেয়। হেলপার এসে বস্তা খুলে দেখেন শিশুর লাশ। পরে পুলিশে খবর দেয়া হয়। ওই ঘটনায় বাসের চালক ও হেলপারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বনানী থানায় নেয়া হয়। বাসটিও বনানী থানার জিম্মায় নেয়া হয়। তিনি আরও জানান, লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
চাচা রফিকুল ইসলাম জানান, ইমনের বাবার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও থানার নিগুআঁড়ি গ্রামে। কাঁচামাল ব্যবসায়ী বাবা আতাব উদ্দিন ও গার্মেন্টস শ্রমিক মা রিনা বেগম দুই সন্তানকে নিয়ে গাজীপুরের জয়দেবপুরের মোগরখাল এলাকায় ভাড়া থাকতেন।
তিনি আরও জানান, গত ১৫ মার্চ বিকাল ৫টায় বাসার সামনে থেকে নিখোঁজ হয় ইমন। পরে তার খোঁজে এলাকায় মাইকিং করা হয়। রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে বাড়িওয়ালা আনোয়ার মোল্লার ছেলে শাকিল মোল্লার মোবাইল ফোনে অজ্ঞাত একটি নম্বর (০১৮৫৫-০৫১০৩৫) থেকে কল আসে। ওই নম্বর থেকে বলা হয়, ‘ইমন আমাদের কাছে আছে। দুই লাখ টাকা দিলে তাকে ছেড়ে দেয়া হবে। পরের দিন আবার কথা বলব’ বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়।
