উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নে সেচ সুবিধার জন্য স্থানীয় কৃষকরা স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খনন করছে। মাতামুহুরী নদীর মোস্তাক মিয়ার ঘাট থেকে গোবিন্দপুর দক্ষিণপাড়া ও খিলছাদক সওদাগরকুম পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার খাল খনন কাজ করা হয়। জানা যায়, খাল ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে পানি প্রবাহ কমে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এলাকার কৃষকরা চলতি মৌসুমে বোরো ও সবজি চাষ নিয়ে চরম বেকায়দায় পড়ে। খালের এ করুণদশা পরিদর্শন করে ইউপি চেয়ারম্যান এটিএম জিয়াউদ্দিন চৌধুরী স্বেচ্ছাশ্রমে খনন করার জন্য স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করেন। ইউপি চেয়ারম্যানের আহ্বানে মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুুপুর একটা পর্যন্ত টানা চারঘন্টা স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খননে অংশ নেয় হাজারো মানুষ। খনন শেষ হওয়ার পর পর মাতামুহুরী নদীর মোহনা হয়ে এ খালে ঢুকে পড়ছে মিঠাপানির প্রবাহ। তাত্ক্ষণিক চালু করা হয় খালের তীরে বসানো একাধিক সেচপাম্প। দীর্ঘদিন পর জমিতে সেচসুবিধা নিশ্চিত হওয়ায় উপস্থিত কৃষকসহ সর্বস্তরের মানুষের মুখে ফুটে ওঠে আনন্দের হাসি।
বরইতলী ইউপি চেয়ারম্যান এটিএম জিয়াউদ্দিন চৌধুরী জিয়া বলেন, মাতামুহুরী নদীর মোহনা হয়ে বরইতলী ইউনিয়নের বৃহত্তম এ শাখা খাল ভরাট হয়ে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। তিনি বলেন, বর্ষাকালে খালে পানি প্রবাহ ভরপুর থাকলেও শুষ্ক মৌসুমে খালটি মরুভূমিতে পরিণত হয়। তাই কৃষক ও কৃষি ব্যবস্থার স্বার্থে জনগণকে সাথে নিয়ে খালের এক কিলোমিটার এলাকা খনন করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, খননের পর খালে পানি প্রবাহ বেড়েছে। ফলে এখন এলাকার প্রায় আড়াইশ’ হেক্টর বোরো চাষে সেচসুবিধা নিশ্চিত হয়েছে।
