সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বদলি, পদোন্নতি বা ছুটির জন্য প্রকৌশলীরা রাজনৈতিকভাবে তদবির করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বর্ষা মৌসুম ও ঈদুল-ফিতর সামনে রেখে সড়ক-মহাসড়ক যান চলাচলের উপযোগী করতে প্রকৌশলী ও প্রকল্প কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সমন্বয় সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।
সাংবাদিকদের তিনি আরো বলেন, বিআরটিসি, বিআরটিএ বা সড়ক ও জনপথ হোক, ইঞ্জিনিয়ারদের কারও জন্য যদি পলিটিক্যাল তদবিরে আসে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
প্রকৌশলীদের তদবির বেড়েছে কিনা একজন সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, তদবির অনেক কমে গেছে। কিন্তু মাঝে মাঝে তদবির আসে, যা বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দেয়।
তিনি বলেন, আমাদের ইঞ্জিনিয়াররা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে ছুটি না চেয়ে পলিটিক্যাল তদবরি করেন। তাদের উদ্দেশ্যটা কি? এখানে নিশ্চয়ই কোনো কারণ আছে। এগুলো চলবে না। তিনি বলেন, তদবিরের কোনো প্রয়োজন নেই, মানবিক প্রয়োজন এমনিতেই বিবেচনা করা হবে।
বৈঠকে রমজান, ঈদ ও বর্ষার আগেই সড়ক, মহাসড়কের কাজ শেষ করার জোর তাগিদ দেন ওবায়দুল কাদের। ঠিকাদাররা সময়মত কাজ বুঝিয়ে দিতে ব্যর্থ হলে তাদের কার্যাদেশ বাতিল এবং প্রয়োজনে কালো তালিকাভুক্ত করতে প্রকৌশলীদের নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।
সড়ক-মহাসড়কের কাজের মানের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বর্ষা শুরু হওয়ার সাথে সাথে কাজের মানের অবনতি যেন না হয়। আর উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে হবে। বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের অগ্রগতির বর্ণনা দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেন প্রকল্পের ১২০ কিলোমিটার কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। ২৩টি সেতুর মধ্যে ১৮টি, ২৪৩টি কালভার্টের মধ্যে ২৩৪টি এবং ১৪টি বাইপাসের ৩২ কিলোমিটারের মধ্যে ২৫ কিলোমিটারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এমএএন ছিদ্দিকসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত।
