প্রায়ই অবৈধভাবে সাগর পথে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সময় আটক হচ্ছে শ্রমিকরা। কিন্তু এবার জানা গেল তাদের সম্পর্কে নতুন তথ্য। র্যাবের হাতে আটক হওয়া এক দল দালাল জানিয়েছে, এসব শ্রমিকদের জড়ো করা হয় কক্সবাজারের টেকনাফে। এরপর ট্রলারে করে সাগর পথে পাড়ি দেয় মালয়েশিয়ায়। মিয়ানমারের সীমানা এলাকার কাছাকাছি যাওয়ার পর ট্রলার থেকে দালাল চক্র শ্রমিকদের আত্মীয়-স্বজনদের কাছে ফোন করে। এ সময় ট্রলারে দালাল চক্রের সদস্যরা শ্রমিকদের জিম্মি করে ফেলে। মোবাইল ফোনে আত্মীয়দের কাছে শ্রমিকদের ওপর মারধর করার কান্নাকাটি শুনিয়ে তারা দাবি করে, এখন ২ লাখ টাকা নির্দিষ্ট লোকের কাছে পৌঁছে না দিলে তাদের সন্তানকে সাগরে ফেলে হত্যা করা হবে। এ হুমকি পাওয়ার পর শ্রমিকের আত্মীয়রা ঢাকা, চট্টগ্রাম অথবা কক্সবাজারে নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে টাকা পৌঁছে দেয়।
এ রকম একটি চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। তাদের কাছ থেকে ১৬ জন শ্রমিককে উদ্ধার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, রুবেল, শহিদুল ইসলাম, শওকত, আবু মোহাম্মদ, পিন্টু, আনোয়ার, মাহমুদুল, হামিদুল হক ও ইউনুছ।
সোমবার র্যাব সদর দফতরে সাংবাদিকদের সামনে গ্রেফতারকৃতদের হাজির করা হয়। র্যাবের লিগ্যাল এ্যান্ড মিডিয়া শাখার পরিচালক কমান্ডার মাহমুদ খান জানান, তাদেরকে রবিবার রাতে ঢাকা, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত এই চক্রের প্রধান হোতা ইউনুছ জানান, টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের কালাম ও আলী এবং মালয়েশিয়ায় জিয়ার মাধ্যমে সাগর পথে মালয়েশিয়ায় লোক পাঠিয়ে থাকেন তারা। শ্রমিক ট্রলারে উঠিয়ে দেয়ার পর টাকা আদায় করা হয়।
