শার্শায় আবাদি জমিতে গড়ে উঠেছে লাইসেন্স বিহীন ইটভাটা

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০১৫, ১২:৪৫
শার্শায় আবাদি জমিতে গড়ে উঠেছে লাইসেন্স বিহীন ইট ভাটা। ভাটা মালিকরা পরিবেশ অধিদপ্তরের আইন অমান্য করে ইট প্রস্তুত করছে। সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করে ব্যঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে অসংখ্য ইট ভাটা। ২/১টি ভাটা মালিকের বৈধ লাইসেন্স থাকলেও অধিকাংশ ইট ভাটা মালিকের কোন লাইসেন্স নেই। এ সকল ইট ভাটার মালিকরা সিন্ডিকেট তৈরি করে কয়লার পরিবর্তে কাঠ পোড়াচ্ছে। ফলে এলাকার বৃক্ষ নিধন হওয়ায় প্রাকৃতিক পরিবেশ ভারসম্য হারাতে বসেছে। তাছাড়া ইটের মূল্য ও আকাশ চুম্বি। সরকারি ভাবে ইট বিক্রয় নিতিমালা না থাকায় ভাটার মালিকরা প্রতি ১ হাজার ইটের দাম ৭ হাজার টাকায় হারে বিক্রয় করছে দেদারছে।
ইট বিক্রয়ের নীতিমালা অনুযায়ী ভ্যাট প্রদান করার ক্ষেত্রে ইট বিক্রয় রেজিস্টার খোলার কথা থাকলেও তা স্লিপেই সীমাবদ্ধ থাকছে। এ সকল ইট ভাটার মালিকরা আর্কষণীয় ও লোভনীয় এ ব্যাবসাকে পুঁজি করে প্রত্যেকে ভ্যাট ফাঁকি, লাইসেন্স বিহীন ভাটা, বৃক্ষ পোড়ানোর  উৎসবে মেতেছে। আবাদি জমিতে ইটভাটা নির্মাণে প্রশাসনিক তৎপরতা না থাকায় আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এ সকল ভাটার মালিকরা তাদের ইচ্ছামত বৈধ লাইসেন্স ব্যাতিরেকে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ অমান্য  করে সকল কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
শার্শায় ২৩টি ইট প্রস্তুত ভাটার মধ্যে ২২টি লাইসেন্স ছাড়াই এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। 
যশোর পরিবেশ অধিদপ্তরের নিরবতার ফলে ঢাকা, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় থেকে যশোর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয় যশোর এর মাধ্যমে সকল অবৈধ ইটভাটা মালিকদেরকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পত্র দিয়েছেন। 
এ ব্যাপারে শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম শরিফুল আলমের নিকট ইটভাটার বৈধ লাইসেন্স ব্যাতিরেকে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ অমান্য করে পরিচালিত ইট ভাটার বিরুদ্ধে আইনগত ভাবে কি ব্যবস্থা নিয়েছেন এ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি তার বক্তব্যে বলেন, যাদের লাইসেন্স নেই তাদের নিয়ে ১৮/০৩/১৫ তারিখে পরিবেশ সংক্রান্ত একটি মিটিং করা হয়েছে। 
জেলা প্রশাসন থেকে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। যে কোন সময় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।