আধুনিক সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা ও দেশটির প্রথম প্রধানমন্ত্রী লি কুয়ান ইউয়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯ মার্চ রবিবার। কিংবদন্তি এই রাষ্ট্রনায়ককে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সিঙ্গাপুরে জড়ো হবেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে লি কোয়ানকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্র এ এইচ মাহমুদ আলী।
এদিকে মঙ্গলবার লি কুয়ান ইউয়ের মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় সিঙ্গাপুর কনস্যুলেট অফিসে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেছেন। শোক বইয়ে তিনি লেখেন, আধুনিক সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা জনক ও স্থপতি লি কুয়ান ইউয়ের মৃত্যুতে আমি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে এবং ব্যক্তিগতভাবে গভীর শোক প্রকাশ করছি। তার নেতৃত্ব ও গুণাবলী শুধু সিঙ্গাপুরের নাগরিকের জন্যই নয়, সমগ্র বিশ্বের মানুষের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
মাহমুদ আলী ইউয়ের শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনাও জানান।
মাহমুদ আলী ইউয়ের শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনাও জানান।
এদিকে, লি কোয়ান ইউয়ের মৃত্যুতে দেশটিতে সাতদিনের জাতীয় শোক পালন চলছে। সিঙ্গাপুরকে একটি ছোট বন্দরনগরী থেকে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী একটি দেশে রূপান্তরিত করার পথে নেতৃত্ব দেয়া এই রাষ্ট্রনায়কের মৃত্যুতে শোকাহত সিঙ্গাপুরের জনগণও। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আগ পর্যন্ত জাতীয় শোক পালন চলবে এবং বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত তার মরদেহ দেশটির সংসদ ভবনে রাখা হবে।
উল্লেখ্য, সোমবার সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় লি কুয়ান মারা যান। ক্ষণজন্মা এই মানুষটির বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। প্রায় এক মাস ধরে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তিনি হাসপাতালে ছিলেন। তার মৃত্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন, চীনা প্রসিডেন্ট শি জিনপিং, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।
