রাজধানীর যাত্রীবাড়ীত পুলিশের সাবেক কর্মকর্তার স্ত্রী ও তার গৃহকর্মীর মেয়েকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় সাঈদ হাওলাদার ( ২২) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত সাঈদ হাওলাদার নিহত কল্পনার (১০) বড়ভাই।
বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে এক প্রেসবিফিংয়ে জানানো হয়, ডাকাতি করতে গিয়ে গত মঙ্গলবার বিকালে ৫৬, উত্তর যাত্রাবাড়ীর দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে সাবেক অতিরিক্তি পুলিশ সুপার আবদুল কুদ্দুসের স্ত্রী রওশন আরা (৬৫) ও তার গৃহকর্মী লাকির মেয়ে কল্পনাকে গলাকেটে হত্যা করা হয়।
সাঈদ হাওলাদার গৃহকর্মী লাকির বড় ছেলে। তিনি শাহজানপুরে একটি রিকশা গ্যারেজে কাজ করেন। গৃহ পরিচারিকার সুবাদে ওই বাড়িতে তার যাতায়াত ছিল। রওশান আরার তিন ছেলে ও দুই মেয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় থাকে। এ কারণে রওশান আরার ওই বাড়িতে গৃহকর্মী লাকি তার মেয়েকে নিয়ে থাকতেন। কয়েকদিন আগে সাঈদ রওশান আরার কাছ থেকে ধার চায়। এ ধার দিতে অস্বীকার করলে তিনি ডাকাতি করার পরিকল্পনা নেন। ঘটনার দিন বিকালে সাঈদের মা বাসা থেকে বের হয়ে গেলে সাঈদ ও তার দুই সহযোগী ওই বাসায় প্রবেশ করেন। রওশন আরাকে গলাকেটে হত্যার পর কল্পনা চিৎকার করতে থাকে। এ দৃশ্য দেখে ফেলায় তারা কল্পনাকেও গলাকেটে হত্যা করে। পরে বাসা থেকে ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ কিছু টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
