পড়া না পারায় ইনজেকশন থেরাপি!

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০১৫, ১২:১০

স্কুলের ছাত্রদের শাস্তি হিসেবে ‘ইনজেকশন থেরাপি’ দিয়ে আলোচনায় এসেছেন পশ্চিমবঙ্গের এক শিক্ষিকা। শাস্তি হিসেবে তিনি ইনজেকশনের সূঁচ ফুটিয়ে দিতেন শরীরে। একদিন নয়, দিনের পর দিন। ফলে অসুস্থ হয়ে পড়ছিল ছাত্ররা। অবশেষে মঙ্গলবার ঘটনা জানাজানি হলে উত্তাল হল বিষ্ণুপুরের রসপুঞ্জ ডিএস শিশুতীর্থ নামের ওই স্কুল। এক ছাত্রের অভিভাবক এসে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ জানান। এর পরেই অভিযুক্ত অঙ্কের শিক্ষিকা অর্চনা মাইতিকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন অন্যান্য শিশুদের অভিভাবকেরাও। ওই শিক্ষিকার শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন তারা।

তিরিশ বছরের বেশি পুরোনো ওই স্কুলটি এলাকায় বেশ জনপ্রিয়। ছাত্রসংখ্যা দুই হাজারের বেশি। ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে নার্সারির চার বছরের এক শিশুর কারণে। স্কুলে যাবার কথা বললে কান্নাকাটি শুরু করছিল সে। তার বাবা মা কারণ জিজ্ঞাসা করলে সে জানায়, অঙ্ক না-পারলে স্কুলের ওই দিদিমণি শরীরে সুঁচ ফুটিয়ে দেন। ফলে, প্রচণ্ড ব্যথায় ছটফট করতে হয়। পরে ওর ঘাড়ে, পিঠে সুঁচ ফোটানোর দাগ দেখতে পেয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষককে জানানো হয়। ‘ইনজেকশন থেরাপি’ দিতে গিয়ে চাকরিটাই খোয়াতে হলো দিদিমণিকে। -টাইমস অব ইন্ডিয়া।