ঢাকা সিটি নির্বাচন: জামিন না থাকলে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০১৫, ২১:৪৫
 
 ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত কোনো ব্যক্তি ঢাকা  সিটি  ( উত্তর ও দক্ষিণ) কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী বা কোন প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে পুলিশ (ডিএমপি)। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালত থেকে জামিন নিয়ে নির্বাচনী কাজে অংশ নিতে পারবেন।
 
বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের( ডিএমপি) মুখপাত্র যুগ্ম কমিশনার ( গোয়েন্দা) মনিরুল ইসলাম।
 
ডিএমপির এ মুখপাত্র মনিরুল ইসলাম বলেন, রাজধানীর অনেক এলাকায় অনেক প্রার্থীর পোষ্টার দেখা গেছে যাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এসব ব্যক্তি যদি আদালত থেকে জামিন না নেন তাদের বিরুদ্ধে  দায়েরকৃত অভিযোগের সংশ্লিস্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা  ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।  তবে তারা  যদি জামিন নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন তার পর তাদের ওপর আমাদের বাড়তি নজরদারি থাকবে।
 
তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমাদের বক্তব্য পরিষ্কার ফৌজদারি কার্যবিধি ও নির্বাচানী বিধিবিধান অনুযায়ী আমরা কাজ করবো।
 
যুগ্ম -কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন,  আন্ডার ওয়ার্ল্ডের অনেক সন্ত্রাসী যারা কারাগারে , বিদেশে বা  দেশে পলাতক রয়েছেন। অনেকে জামিনে রয়েছেন অনেকে।  তারা কোনো ধরনের প্রভাব ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালালে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
ডিএমপির এ মুখপাত্র আরো বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে  কেউ যেন বৈধ অথবা অবৈধ অস্ত্র বল প্রয়োগে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার না করতে পারে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে ও আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
 
তিনি বলেন, ঢাকার উত্তর ও দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের ভোটররা যাতে সন্ত্রাস মুক্ত ও ভয়ভীতিহীন পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন সেই ব্যবস্থাই করা হবে।
 
যুগ্ম কমিশনার বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার পর আমাদের চাকরি নির্বাচন কমিশনের উপর ন্যস্ত। তারা যেভাবে নির্দেশনা দেবে সেভাবে কাজ করব। তাদের বিধি ও আইনের সমন্বয়ে কাজ করা হবে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে যুগ্ম কমিশনার বলেন, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার সবার আছে। তবে কে প্রার্থী হবেন কে হবেন না সেটা নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন।