রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইরেসি চক্রের ২৭ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। গত রবিবার রাতে গুলিস্তান, পল্টন ও কদমতলী থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা অবৈধভাবে নাটক-সিনেমা ও বিভিন্ন গান পাইরেসি করে সিডি বিক্রি করতো। গ্রেফতারকৃতরা হলো- গিয়াস উদ্দিন, শাহিন আলম, রায়হান উদ্দিন, টিপন চন্দ্র হাওলাদার, তারেক হোসেন, সম্রাট হোসেন, মিজানুর রহমান, সোহাগ হোসেন, নূর উদ্দিন, মো. রানা, রাকির হোসেন, নাঈম উদ্দিন ভূঁইয়া, শেখ সালাহ উদ্দিন, জাফর, মামুন হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, রোকন উদ্দিন, মো. অপু, মো. মনির, রায়হান, আব্দুল কাইয়ুম, আকবর হোসেন, নাইমুল ইসলাম, পিন্টু মিয়া, শাকিল, সাইফুল ইসলাম ও আনোয়ার হোসেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১টি ল্যাপটপ, ৩৫টি কম্পিউটার মনিটর, ৩৩টি সিপিইউ, দুটি ইউপিএস, ৬টি সিডি কপিরাইট মেশিন, ১৯ হাজার ৭৬৪টি পাইরেটিড সিডিসহ অন্যান্য সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।
গতকাল বিকালে কাওরান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন র্যাব-৩ এর অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এমরানুল হাসান। তিনি বলেন, অভিযানকালে প্রথমে ফকিরাপুল বিপুল সংখ্যক সিডি ও সরঞ্জামাসহ গিয়াস উদ্দিনকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য মতে অন্যদের আটক করা হয়। তিনি বলেন, গিয়াস মূলত চক্রের হোতা। আটক অন্য ২৬ জন সবাই তার কাছ থেকে পাইরেটেড সিডি ক্রয় করতো। চক্রটি ৬টি মেশিন দিয়ে মিনিটে ৩০টি সিডি পাইরেসি করতো।
সংবাদ সম্মেলনে চলচ্চিত্র প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু বলেন, পাইরেসির কারণে আমাদের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি অনেক ক্ষতির সম্মুখীন। অনেক টাকা খরচ করে ভালো কোনো কাজ করলেও বিনিয়োগকৃত আসল টাকা তুলে আনা কষ্টকর হয়ে পড়ে। যার কারণে অনেকে দিন দিন নতুন কাজ করতে আগ্রহ হারাচ্ছে। চলচ্চিত্র অশ্লীলতা ও পাইরেসি বিরোধী টাস্কফোর্স ও র্যাব যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।
