খুলনার কয়রায় পুলিশের সাথে 'বন্দুকযুদ্ধে' আলামিন (২৮) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। রবিবার রাত ১০টার দিকে সুন্দরবনের ঝপঝপিয়া চর এলাকায় এই 'বন্দুকযুদ্ধের' ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩টি টুটুবার রাইফেল, ১টি বিদেশী বন্দুক, ২টি দেশি তৈরী বন্দুক, ১টি ইয়ারগান, ১১৯ রাউন্ড বন্দুকের গুলি, ২২টি টুটুবার রাইফেলের গুলি ও ৬টি বন্দুকের গুলির খোসা উদ্ধার করে।
পুলিশের দাবি, নিহত আলামিন সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু আলামিন বাহিনীর প্রধান ছিলেন। তিনি কয়রা উপজেলার ৪নং কয়রা গ্রামের শহিদ সানার ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার সকাল ৮টার সময় কয়রা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলার চাদআলী ব্রীজের উপর থেকে বনদস্যু আলামিনকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ তার নিকট থেকে বিশেষ তথ্য পায়। তথ্যানুযায়ী রাতে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ হরেন্দ্রনাথ সরকার ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি রোকনুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাকে নিয়ে সুন্দরবনের ঝপঝপিয়া চর এলাকায় অস্ত্র উদ্ধারে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আলামিনের সহযোগিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করতে থাকে। এ সময় সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ অত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি বর্ষণ করতে থাকলে বনদস্যুদের ছোড়া গুলিতে আলামিন গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাকে কয়রা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় পুলিশের এস আই হাফিজুর রহমান, পুলিশ সদস্য রাজু, আকরামুল ও হারুন আহত হয়।
কয়রা থানা অফিসার ইনচার্জ হরেন্দ্রনাথ সরকার জানান, নিহত আলামিনের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, ডাকাতি, চাঁদাবাজীসহ অর্ধডজন মামলা রয়েছে।
