মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় যাত্রীবাহী ট্রলার ও বালুভর্তি বাল্কহেডের সংঘর্ষের ঘটনায় এক শিশুসহ আরো দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে ঐ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো পাঁচজনে। এর আগে বুধবার রাতে অজ্ঞাত এক যুবকের (২৫) লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় অন্তত ১৩ যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন।
বুধবার রাতে উপজেলায় ভাষানচরের কাছে “মা-বাবার দোয়া” নামের বাল্কহেডটি বালু ভর্তি করে ঢাকার দিকে যাওয়ার পথে রাত ৮টার দিকে বিপরীতমুখী প্রায় ৭৫ যাত্রী ভর্তি ট্রলারটিকে মাঝ বরাবর সজরো ধাক্কা দিলে এটি গেথে যায়। কোন ভাবে সরাতে না পেরে চালক ও স্টাফরা বাল্কহেড ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। তবে বাল্কহেডে আলো জ্বালানো থাকায় পুলিশ রাতে এটি সহজে শনাক্ত করে। ট্রলারটি অর্ধ নিমজ্জিত রয়েছে।
ট্রলারের যাত্রী ঢাকার বাদামতলীর ধনিয়ার মো. শামীম বেঁচে গেলেও তার দশ বছরের সন্তান ফয়েজ নিখোঁজ রয়েছে।
বেঁচে যাওয়া যাত্রী নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের পিয়াস (২৫) জানান, তারা মেঘনা-গোমতী সেতুর (দাউদকান্দি সেতু) বাউশিয়ার লঞ্চঘাট থেকে ট্রলারে করে চাঁদপুরের বেলতলীর লেংটার মেলায় যাচ্ছিলেন। রাত সাড়ে ৭টায় ট্রলারটি ছাড়ে। মূল মেঘনা নদীর মোহনায় ঝড়ের কবলে পড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বেশকিছু যাত্রী আহত অবস্থায় কোনক্রমে তীরে উঠে চিকিত্সার জন্য বিভিন্ন স্থানে চলে যায়। তবে পিয়াসের তিন বছরের ভাতিজিসহ বাকী যাত্রীর ভাগ্যে কি ঘটেছে তা জানা যায়নি।
