সপ্তাহজুড়ে পুঁজিবাজারে সূচক কমলেও লেনদেন বৃদ্ধি

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০১৫, ১৯:২২
 
 
 
 
দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সাময়িকভাবে কমে আসায় গত সপ্তাহ শেষে লেনদেন কিছুটা বাড়লেও সূচক কমেছে।  শেয়ারদর আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ১৬ শতাংশ বেড়েছে।
ডিএসইর তথ্যে দেখা গেছে—গেল সপ্তাহ শেষে সূচক কমায় ডিএসইর সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) আগের সপ্তাহের তুলনায় ৩ দশমিক ২৯ শতাংশ কমেছে। গেল সপ্তাহে ডিএসইতে পিই রেশিও দশমিক ৫৫ কমে ১৬ দশমিক ২৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
খাত-ভিত্তিক পিই রেশিও বিশ্লেষণে দেখা যায়—ব্যাংক খাতের পিই রেশিও ৭ দশমিক ৪০ পয়েন্ট, সিমেন্ট খাতের ৩১ দশমিক ৫০ পয়েন্ট, প্রকৌশল খাতের ১৯ পয়েন্ট, জ্বালানি ও বিদ্যুত্ খাতের ১২ দশমিক ৮ পয়েন্ট, সাধারণ বিমা খাতে ১০ দশমিক ৭ পয়েন্টে, বিবিধ খাতের ৩৮ পয়েন্ট, এনবিএফআই খাতের ১৭ দশমিক ২ পয়েন্টে, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ২৮ দশমিক ৯ পয়েন্ট এবং বস্ত্র খাতের ১০ দশমিক ৯ পয়েন্ট।
এ দিকে, গেল সপ্তাহে তালিকাভুক্ত নয় কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ২০ শতাংশ নগদ, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স ১০ শতাংশ নগদ, ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স ১০ শতাংশ নগদ, ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার, রূপালি ইন্স্যুরেন্স ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার, এপেক্স ফুটওয়্যার ৫৫ শতাংশ নগদ, ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ৮ শতাংশ নগদ ও ৪ শতাংশ বোনাস শেয়ার, যমুনা ব্যাংক ১৯ শতাংশ বোনাস শেয়ার এবং বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেড শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।