নাটোরের বড়াইগ্রাম, গুরুদাসপুর, বাগাতিপাড়া ও নলডাঙ্গাসহ প্রায় সব এলাকায় শনিবার বিকালে ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানা যায়নি।
এদিকে, ঝড়ের সময় দৌড়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে গুরুদাসপুরের খুবজিপুর ইউনিয়নের পিপলা গ্রামের খোকন (৩৭) নামে এক কৃষক মারা গেছেন।
শনিবার বিকালে আকস্মিক ঝড়ে লিচু, আম ও কলাবাগানের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। সদর উপজেলার হয়বতপুর এলাকায় রান্না করার সময় ঝড়ের দমকা হাওয়ায় চুলার আগুন ছড়িয়ে পড়ে একটি বাড়ি পুড়ে গেছে।
জেলার বিভিন্ন এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বেশ কিছু বাড়িঘর বিধ্বস্থ হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকেই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় গোটা জেলা অন্ধকারে রয়েছে। তবে কৃষি বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে কৃষি ফসলের ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানাতে পারেনি।
